কাঁচা মরিচের দামে স্বস্তি, মাছে আগুন

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২১ মে , ২০২৪, ০৪:২৩:২১ এম

 

মুর্শিদুল আজিম হিরু : বাজারে দাম কমেছে সবজি ও মরিচের। মাছের দাম একটুও কমেনি।  উর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে, চাল, ডাল, পেঁয়াজ-রসুনসহ অন্যান্য পণ্য। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে সবজির দাম কমেছে । সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। ৯০ টাকা কেজি বিক্রি হয় টমেটো। প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ওল। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি ঝিঙে ও কুশি বিক্রি হয় ৪০ টাকা কেজি। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেড়স। প্রতি কেজি পুই শাক বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুর লতি। প্রতি কেজি কচুর মুখি বিক্রি হয় ৭০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁপে। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাঁকরোল।

আলু, দেশি পেঁয়াজ ও ডিমের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। তবে এ দামে কোন পণ্য যশোরের বাজারে পাওয়া যাচ্ছেনা। মরিচের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম অনেক কমেছে। প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি। ২২০ টাকা থেকে ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় প্রতি কেজি রসুন।  প্রতি কেজি দেশি পেয়াজ বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত পেঁয়াজ। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ৪৫ টাকা।

আবারও দাম কমেছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা কমিয়ে ১৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে যশোরের বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১৮০ টাকা। ১৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় খোলা সয়াবিন তেল। প্রতি কেজি সুপার পাম তেল বিক্রি ১৪০ টাকা । ১৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পাম তেল।

বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি। প্রতি কেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৪শ’ টাকা থেকে ১৬শ’ টাকা কেজি। ৮শ’ টাকা থেকে ১১শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছ। প্রতি কেজি জাটকা ইলিশ মাছ বিক্রি হয় ৬শ’ টাকা থেকে সাড়ে ৭শ’ টাকা কেজি।  প্রতি কেজি রুই-কাতলা মাছ বিক্রি হয় ২২০ টাকা থেকে ৩২০ টাকা কেজি। ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি মৃগেল মাছ। প্রতি কেজি চিলবার্কাপ মাছ বিক্রি হয় ১৮০ টাকা থেকে ২২০ টাকা কেজি। ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় শিং মাছ। প্রতি কেজি কই মাছ বিক্রি হয় ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা। প্রতি কেজি পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি ১৭০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। প্রতি কেজি তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হয় ২০০ টাকা থেকে ২৪০ টাকা কেজি। সাড়ে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পাবদা মাছ।

বাজারে ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে চাল। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ চাল। প্রতি কেজি বিআর ৪৯-চাল বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা। ৪৮ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-১০ চাল বিক্রি । প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫৪ টাকা থেকে ৫৬  টাকা। ৬৬ টাকা থেকে ৬৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাংলামতি চাল।

বাজারে ডালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’৩০ টাকা। ১শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মুসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা।