বেগম রোকেয়া দিবসে বিভিন্নস্থানে জয়িতা সম্মাননা

এখন সময়: সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি , ২০২৪, ০৯:৫৮:৩০ এম

 

স্পন্দন ডেস্ক: বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপিত হয়েছে। শনিবার এ উপলক্ষে জয়িতা সম্মাননা, আলোচনাসভা, র‌্যালি ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদনে বিস্তারিতÑ

অভয়নগর

উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনাসভা এবং জয়িতা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএমআবু নওশাদ। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান তারু, মিনারা পারভীন, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুনীল দাস, বিভার নির্বাহী পরিচালক সুকুমার ঘোষ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্মকর্তা আঞ্জু মনোয়ারা, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসজেড মাসুদ তাজ, দপ্তর সম্পাদক শাহীন আহমেদ, সদস্য জাকির হোসেন হৃদয় প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাজকুমার পাল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দেবাশীষ দাস নান্টু।

আলোচনা সভা শেষে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নাজমা খাতুন, শিক্ষা ও চাকুরির ক্ষেত্রে সফল হাবিবা সুলতানা, সফল জননী হামিদা বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা জাকিয়া সুলতানা ও সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখায় মিনারা পারভীনকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। 

বাঘারপাড়া 

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস লাবনী । প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরা তান্নি। বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ এস এম জিল্লুর রশীদ, সহকারী প্রোগ্রামার অজয় কুমার পাল প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে তিন নারীকে জয়িতা সন্মাননা প্রদান করা হয়। এদিকে, ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি  আওয়তায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

কেশবপুর

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জয়িতা সম্মাননা তুলে দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তপন কুমার ঘোষ, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান, কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মশিউর রহমান, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শোভা রানী রায় ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রাবেয়া ইকবাল। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপালী রানী। এতে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হোসেন।

জয়িতা সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন, অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী উপজেলার মূলগ্রামের ললিতা মন্ডল, শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে সফল আলতাপোল গ্রামের ড. নাছরিন সুলতানা লাকি, সফল জননী নারী মধ্যকুল গ্রামের শাহানারা বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা মূলগ্রামের ময়না রাণী মন্ডল এবং সামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় বাগডাঙ্গা গ্রামের সাধনা বিশ্বাস।

খুলনা

জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার হেলাল মাহমুদ শরীফ। জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান রুনু ইকবাল বিথার, বীরমুক্তিযোদ্ধা আলমগীর কবির ও খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম। স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাসনা হেনা।

অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী খুলনার নুরুন্নাহার লিলি ও সফল জননী ফাতেমা আক্তারকে জয়িতা সম্মাননা দেয়া হয়।

ডুমুরিয়া (খুলনা)

উপজেলা শহিদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ আসিফ রহমান। বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম আশীষ মোমতাজ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ^াস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীনা রানী মজুমদার, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম মানিক, অধ্যক্ষ শেখ শহিদুল ইসলাম ও অধ্যক্ষ সৌমেন মন্ডল প্রমুখ। সামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমীনা পারভীন, অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী শাহাপুর গ্রামের শাপলা ইয়াসমিন, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনকারী খর্ণিয়া গ্রামের রাখী অধিকারী, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা আছমা আক্তার ও সফল জননী নারী কুলটি গ্রামের কল্পনা তরফদারকে জয়িতা সম্মাননা দেয়া হয়।

মাগুরা

জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ৫ জনকে জয়িতা সম্মাননা দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী শ্রীপুর উপজেলার কাজলী গ্রামের রুমানা, শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করায় মাগুরা সদরের দোয়ারপাড়ার এলোয়ারা সুলতানা, সফল জননী শ্রীপুর উপজেলার আমলসার কোদলা গ্রামের পিকিরন নেছা, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা মহম্মদপুরের উম্মে হানি সুলতানা ও সামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় মাগুরা শহরের বাজার পাড়ার লিপিকা দত্তকে এদিন সম্মাননা দেয়া। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ প্রধান অতিথি হিসেবে জয়িতাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন। জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল আওয়ালের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল কাদের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, জয়িতা লিপিকা দত্ত ও এলোয়ারা সুলতানা।

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ)

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে পরিষদের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সিদ্দিক ঠান্ডু। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাসলিমা খাতুনের সঞ্চালনায় নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা নারীদের মধ্যে উপজেলার সুন্দরপুর দুর্গাপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের মনোয়ারা বেগম মিনু, সফল জননী এম ইউ কলেজ পাড়ার জুলেখা বেগম, শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী আলাইপুর গ্রামের ড. নাসরিন আক্তার, অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী বলিদাপাড়া গ্রামের নিলুফার ইয়াসমিন সীমা এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় বলিদাপাড়া গ্রামের মনোয়ারা খাতুনকে জয়িতা সম্মাননা প্রদান করা হয়।

লোহাগড়া (নড়াইল)

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী লোহাগড়া গ্রামের ইতি মাহমুদ, শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী  রাজুপুর  গ্রামের জেসমিন আরা, সফল জননী সৈয়দা মাজেদা বেগম ও নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা লক্ষীপাশা গ্রামের হেনা পারভীন এবং সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখায় লোহাগড়া  পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ রাজুপুর  গ্রামের রাজিয়া সুলতানা বিউটিকে জয়িতা সম্মাননা দেয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজগর আলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরিন জাহান  এবং  উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিনা খাতুন  জয়িতাদের  হাতে  সম্মাননা ক্রেস্ট, চাঁদর, জায়নামাজ ও সদনপত্র তুলে দেন।

দেবহাটা (সাতক্ষীরা)

উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভা ও জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহানের সঞ্চালনায় ও দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি।

অনুষ্ঠানে মিতা রানী পাল, সালমা সুলতানা, রুবিনা আক্তার, নুরুন্নাহার বেগম ও উত্তরা দাসকে জয়িতা সম্মাননা দেয়া হয়।

ফকিরহাট (বাগেরহাট)

উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া সিদ্দিকা সেতুর সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহিদ সুজা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তহুরা খানম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন।

মারুফা বেগম, শারমিন সুলতানা, বাসন্তি বিশ্বাস, শিউলি খাতুন ও ছালমা বেগমকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে জয়িতা সম্মাননা প্রদান করা হয়।

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট)

র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম তারেক সুলতান। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট  শাহ-ই আলম বাচ্চু। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আ. কুদ্দুস, থানার অফিসার ইনচার্জ  সাইদুর রহমান, মোরেলগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম ওয়াদুদ খন্দকার, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. রুহুল আমীন খান।

আলোচনাসভা শেষে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী ৪ জনকে ‘জয়িতা নারী’ সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন, শিক্ষা ও চাকুরি ক্ষেত্রে নাজমুন নাহার, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নুপুর বেগম, নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা মাহিনুর আক্তার মুন্নী ও সমাজ উন্নয়নে মোর্শেদা আক্তার।

আশাশুনি :

সকালে ব্রেকিং দ্যা সাইসেন্সের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ (২৫ নভেম্বর-১০ ডিসেম্বর) উপলক্ষে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে বিভিন্ন স্লোগান সহকারে প্রথমে র?্যালি বের করা হয়। র?্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ সড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনি আলম নূর, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম চক্রবর্তী, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ হান্নান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স এর প্রকল্প কর্মকর্তা আঃ খালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কয়রা (খুলনা)

র‌্যালির পর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কমলেশ চন্দ্র সানা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আলম। অনুষ্ঠানে ৫ জন জয়িতাকে সম্মননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।