মারুফ কবীর: আগামী ১৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে বাংলাদেশ দল। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ঢাকার বাইরে ক্যাম্প করছে বাংলাদেশ টিম। ক্যাম্পটি শুক্রবার শুরু হয়েছে যশোর শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমীতে। শুক্রবার দুপুরে এসেছে টিম। প্রথম দিনে রিপোর্টিং করেছেন খেলোয়াড়রা। আজ শনিবার থেকে অনুশীলন শুরু হবে বলে একাডেমী সূত্রে জানা যায়। যশোরে ক্যাম্পটি হবে মোট ১১৮ দিন। সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ পড়েছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার গ্রুপে। এই গ্রুপের অন্য দল নেপাল। তিন দলের মধ্যে শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনাল খেলবে। সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ টুর্নামেন্টের পর এএফসি অনূর্দ্ব-১৭ বাছাইয়েরও আসর রয়েছে। এর আগে যশোর শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমীতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ১৯ দিনের ক্যাম্প হয়েছিলো। যে দলটি রানার্স আপ হওয়ার গৌরব অর্জণ করেছিলো। যশোরের সে ক্যাম্পটি ছিলো ঢাকার বাইরে প্রথম কেনো জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলন ক্যাম্প। আর বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দলের এ ক্যাম্পটি ঢাকার বাইরে দ্বিতীয় ক্যাম্প। দেশব্যাপী ফুটবলকে ছড়িয়ে দেয়ার যে প্রয়াশ তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকার বাইরে জাতীয় ও বয়সভিত্তিক দলের ক্যাম্প (অনুশীলন) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বাফুফের এলিট একাডেমির প্রধান প্রশিক্ষক গোলাম রব্বানী ছোটন এই দলের দায়িত্বে আছেন। দলের খেলোয়াড় সংখ্যা নিয়ে ছোটন বলেন, আজ (শুক্রবার) ক্যাম্পে ৩৩ জন খেলোয়াড় যোগদান করেছেন। একজন ছুটি নিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার জন্য। বিকেএসপি’র ১৩ জন ফুটবলার আগামী মাসে জাপানে টুর্নামেন্ট খেলবে। তারা টুর্নামেন্ট খেলে এসে যোগ দেবে ক্যাম্পে। প্রবাসী ফুটবলারদের ট্রায়াল হওয়ার কিছুদিন পর বাফুফে স্থানীয় ফুটবলারদেরও বয়সভিত্তিক দলের জন্য ট্রায়াল নিয়েছিল। তিন দিনব্যাপী সেই ট্রায়ালেও শতাধিক ফুটবলার এসেছিলেন। সেখান থেকে ১৬ জন এই ক্যাম্পে রয়েছেন বলে জানান কোচ ছোটন। তিনি আরও বলেন, আমাদের একাডেমির নিজস্ব ফুটবলারের পাশাপাশি ট্রায়ালের ১৬ জন ফুটবলার রয়েছে এ ক্যাম্প। অনূর্ধ্ব-১৭ হলেও এটিও বাংলাদেশ জাতীয় দল। এই পর্যায়ে এখনও ট্রায়াল দিয়ে বাফুফে খেলোয়াড় সংগ্রহ করছে। প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো নিয়ে বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট অনিয়মিত। সেই টুর্নামেন্ট হলে কোচরা প্রতিভাবান ফুটবলার বাছাই করতে পারতেন অনায়াসে। যশোর শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমীর পরিচালক (এডমিন) শামস-উল-বারী শিমুল ও উপ-পরিচালক (ট্রেনিং) মাসুদুর রহমান টনি বলেন, কয়েকদিন আগে টিমটি আসার কথা থাকলেও শুক্রবার এসেছে। খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকরা একাডেমীর ভাষা সৈনিক মুসা মিয়া ভবনে থাকবেন। আর টানা ১১৮ দিনের অনুশীলন হবে একাডেমীর নিজস্ব মাঠে।