ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন- জনগণ পরিবর্তন চায়। গত ১৬ থেকে ১৭ বছরে যে দুঃশাসন, নির্যাতন, নিষ্পেষণ ও অপকর্ম জনগণ দেখেছে সেই নির্যাতন নিষ্পেষণ অপকর্মের দিকে মানুষ আর ফিরে যেতে চায় না। জনগণ এক ফ্যাসিবাদকে বিদায় দিয়ে নতুন করে আর এক ফ্যাসিবাদকে ক্ষমতায় আনতে চায় না। তারা এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করতে চায়, যা পরিচালিত হবে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঠিক তেমন একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়তে চায়, যেখানে থাকবে না কোন অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন, দুর্নীতি ও দুঃশাসন। থাকবে পরস্পর পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধ। রাষ্ট্রের মালিকানা থাকবে জনগণের আর শাসক হবে সেবক। যেখানে শাসক কখনো শোষক হবে না, লুটপাট করবে না, দুর্নীতি, অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম নির্যাতন করবে না। তাই একটি ক্ষুধা, দারিদ্র?মুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছে দিন এবং আগামী নির্বাচনে ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দানের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের কাঙ্খিত বাংলাদেশ গঠনে সহায়তা করুন।
শনিবার বিকেলে দামোদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত আয়োজিত জমাদ্দার পাড়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত ভোটার সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ওয়ার্ড সভাপতি এনামুল হক সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্যা, যুব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা আল মুজাহিদ।
সেক্রেটারি সেলিম রেজার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা আমির অধ্যাপক আব্দুল আলীম মোল্যা, নায়েবে আমির অধ্যাপক মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, সেক্রেটারী মাওলানা সাইফুল হাসান খাঁন, পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি নজরুল ইসলাম জমাদ্দার, জেলা ছাত্রশিবির নেতা হুসাইন আহমদ, দামোদর ইউনিয়ন আমির ইঞ্জিনিয়ার শাব্বির আহমদ, উপজেলা শিবির সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম, ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা তৈয়বুর রহমান, আ. হাকিম সরদার, সাবেক শিবির নেতা অহিদুজ্জামান, যুব নেতা মাস্টার ইয়াছিন মোল্যা, ইয়াছিন আরাফাত প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি থেকে শ্রমিক নেতা আ. আজিজ শেখ ও অন্যান্য দল থেকে প্রায় অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মী প্রধান অতিথির হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যোগদান করেন।