Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

জমি দখল ও লুটপাট মামলায় মিলনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

এখন সময়: সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর , ২০২৫, ০২:০৭:২৮ এম

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর সদর উপজেলার হামিদপুরে আসাদুজ্জামানের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, তার ছেলে সামির ইসলাম পিয়াসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে কোতয়ালি থানা পুলিশ।
অভিযুক্ত অন্যরা হলেন, সদর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের শহিদুলের ছেলে মেহেদী, ঘোপ পিলুখান সড়কের গোলাম মোস্তফার ছেলে আশিক, বাগডাঙ্গা গ্রামের ডা. ইন্তাজ হোসেনের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা রিফাত হোসেন, ঘোপ পিলুখান সড়কের মৃত পন্ডিতের ছেলে সলেমান, একই এলাকার গেসু মিয়ার ছেলে সেলিম হোসেন, হামিদপুর গ্রামের শমছের মোল্লার ছেলে ময়েন উদ্দিন, নাসির মোল¬া, ওই নাজেম মোল্লা, ফতেপুরের আব্দুল জব্বারের ছেলে মফিজ, শেখহাটির বাহার মোল¬ার ছেলে মিল্টন মোল্লা, এবং ঘোপ পিলুখান সড়কের মশিয়ারের ছেলে মোস্তাকিন।
মামলার তদন্ত শেষে কোতয়ালি থানার এসআই জাহিদুল ইসলাম আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন। এর আগে এ ঘটনায় মামলা করেন ভুক্তভোগী হামিদপুর গ্রামের আসাদুজ্জামান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৭ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহিদুল ইসলাম মিলনের নেতৃত্বে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলযোগে আসা অজ্ঞাত পরিচয়ের ১৫০/২০০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একটি এস্কেভেটর ও সাতটি ট্রাক্টরের ট্রলি নিয়ে আকস্মিকভাবে লুটপাট ও ভাঙচুর চালায়। সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে প্রথমে বৃদ্ধ আসাদুজ্জামানকে মারপিট করে মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এরপর তার বড় ছেলে আরমান হোসেন ও ছোট ছেলে জাফরীকেও মারপিট করে মোবাইল ভেঙে ফেলে। আসাদুজ্জামানের স্ত্রী ও ছেলেদের স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদেরও মারপিট করে জখম করা হয়। ঘরে ঢুকে হকিস্টিক দিয়ে মালামাল ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় গত বছরের ২৪ আগস্ট কোতয়ালি থানায় মামলা করেন আসাদুজ্জামান।
তদন্তে উঠে আসে, হামিদপুর মৌজার ওই ২ দশমিক ৯৭ একর জমির মূল মালিক ছিলেন মৃত নুর ইসলাম। তিনি জমিটি শিল্প ব্যাংক ঝিনাইদহে মর্টগেজ (বন্দক) রাখেন। টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় নিলামের মাধ্যমে জমির মালিক হন আসাদুজ্জামান। কিন্তু দলিল হস্তান্তরের পর জমির দাগ নম্বর ভুল দেখতে পান তিনি। পরে আদালতের দ্বারস্থ হন।
অন্যদিকে, মৃত নুর ইসলামের বেয়াই আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ওই জমি দখলের জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেন। এর জেরেই শহিদুল ইসলাম মিলনের নির্দেশে আসামিরা বাদীর বাড়িতে হামলা চালায়। এস্কেভেটর দিয়ে আট রুমের ঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেয়।
তারা ওয়ারড্রপ ভেঙে নগদ ১০ লাখ টাকা, প্রায় ৩০ লাখ টাকার ৩০ ভরি সোনার অলংকার, তিনটি গরু, ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ছয়টি ছাগল, ৯ হাজার টাকা মূল্যের ছয়টি রাজহাঁস, ৫ হাজার টাকা মূল্যের ১০টি মুরগি, ১২ হাজার টাকা মূল্যে ১৫টি পাতিহাঁস, এক লাখ টাকা মূল্যের ব্যাটারিসহ চারটি সোলার প্যানেল, ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ১০টি লেপ-তোষক, ৩ লাখ টাকার ১৫০ সেফটি মেহগনির কাঠ, ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার ৬০ মণ গম, ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ৯০ মণ ধান, ১ লাখ টাকার খৈল, ১ লাখ টাকার ১৫ মণ তিল এবং ২৫ হাজার টাকার পানির মোটরসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
উলে¬খ্য, এ ঘটনার পর বাদী থানায় মামলা করতে গেলে তা না নেয়ায় তিনি হাইকোর্টে যান। পরে আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)