Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

যশোরে তিনদিন পর সূর্যের দেখা, দিনে ঝলমলে রোদ, রাতে কনকনে শীত

এখন সময়: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি , ২০২৬, ০১:৩০:৪২ এম

বিল্লাল হোসেন : যশোরে টানা ১২ দিন ধরে হাড়কাঁপানো শীতের দাপট চলছে। হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশায় জবুথুবু অবস্থা। এমন পরিস্থিতির মধ্যে টানা তিনদিন মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর বুধবার দেখা মেলে সূর্যের। এতে কিছুটা হলেও জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসে। অনেককে ঝলমলে রোদে বসে থাকতে দেখা যায়। এদিন যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তবে সন্ধ্যার পর থেকে ফের কনকনে শীত অনুভূত হয়। যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিসের সূত্রমতে, যশোরে পৌষের শুরু থেকে হাড় কাঁপানো শীত। বর্তমানে তা রূপ নিয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে। বুধবার ভোরে যশোরে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের ৯ দিনের মধ্যে ৫ দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে। কনকনে শীতের কারণে নিম্ন আয়ের ও খেটে খাওয়া মানুষজন চরম বিপাকে পড়েছেন। সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত শীতের সঙ্গে কুয়াশা আচ্ছাদিত থাকে। ফলে সড়ক-মহাসড়কে হেডলাইট জালিয়ে অল্প গতিতে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহন। প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যে তারা উপার্জনের সন্ধানে যেতে পারছেন না। তারপরও অনেকেই বাঁধ্য হয়ে কাজের উদ্দেশ্যে ছুটছেন। হিমেল হাওয়া বয়ে যাওয়ায় শীতে মানুষ জবুথবু। কনকনে ঠান্ডায় মানুষের হাত পা অবশ হয়ে যাচ্ছে। এদিকে গত তিন দিন পর বুধবার সকাল থেকেই ঝলমলে রোদের উপস্থিতি হাড়কাঁপানো শীত থেকে কিছুটা হলেও মানুষকে মুক্তি দেয়। রোদের তীব্রতায় জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আছে। যশোর শহরের দড়াটানায় কথা হয় রিকশাচালক সিরাজুল ইসলাম ও কওছার আলী জানান, কয়েকদিন ধরে শীতে রিকশা চালাতে গিয়ে হাত-পা জমে যাচ্ছে। ব্রেকও ঠিকমতো ধরা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে বাতাস গায়ে সুঁচ ফোটাচ্ছে। কয়েকদিন পর সূর্যের দেখা মিলেছে। তাই রোদে বসে শরীর গরম করছেন। চৌগাছা উপজেলার ফুলশারা গ্রামের মতিয়ার রহমান জানান, দিনের বেলা ঝলঝলে রোদ ছিল। কিন্তু সন্ধ্যার পর কনকনে শীত শুরু হয়েছে। এতে তার মতো অনেকেই কাহিল হয়ে পড়েছেন। সন্ধ্যার পর কথা হলে রিকশা চালক আব্দুস সবুর ও রাহাত হোসেন জানান, শীতে নিম্ন আয়ের ও খেটে খাওয়া মানুষজন চরম বিপাকে পড়েছেন। শীতের মধ্যে রিকশা চালাতে তারা বাধ্য হচ্ছেন। ঠান্ডায় হাত পা অবশের উপক্রম।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)