নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর শহরের শংকরপুরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় আটক দু’জনের দু’দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। বুধবার অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন। আসামিরা হলো, যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা শংকরপুর ইসহাক সড়কের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুলুর ছেলে নিহত আলমগীর হোসেনের জামাই বাসেদ আলী পরশ ও একই এলাকার মৃত মতিন দারোগার ছেলে আসাবুল ইসলাম সাগর। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আসামি পরশ নিহতের জামাই। তাদের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল। পরশের স্ত্রীর সাথে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। তাদের মধ্যে একসময় বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছিল। পরে সামাজিকভাবে সেই বিরোধ মীমাংসা করা হয়। নিহত আলমগীর হোসেনের সাথে জমিজমা নিয়ে জামাই পরশের বিরোধ ছিল। মাসখানেক হলো পরশের স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। এরপর থেকে পরশ নানাভাবে হুমকি হুমকি দিচ্ছিল। অপরদিকে আসামি আসাবুল ইসলাম সাগর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নিহাতের বড় ভাই জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়িতে হামলা করেছিল। জাহাঙ্গীর হোসেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। হামলার সময় নিহত আলমগীর হোসেন তাকে বাধা দিয়েছিলেন। এই নিয়ে সাগর নিহত আলমগীর হোসেনকে নানাভাবে হুমকি ধামকি দেয়। এমনকি ফেসবুক মেসেঞ্জার নানা হুমকি ধামকি দিয়ে মেসেজ পাঠায়। ফলে সাগর ও পরশের যোগসাজসে ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে আসামিরা। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম বাদী হয়ে আটক দুইজনসহ অপরিচিত ৬/৭ জনকে আসামি করে কোতয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা আটক দু’জনের ৭দিন করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। আসামিদের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে বিচারকের ওই আদেশ দিয়েছেন।