জাকির হোসেন, কুয়াদা : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত ভিজিএফ’র চাল নিয়ে যশোর সদরের রামনগরে তুলকালামকাণ্ড সৃষ্টি হয়েছে। স্লিপ বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠায় স্থানীয়ভাবে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।
সূএমতে, উপজেলার রামনগর ইউনিয়নে ভিজিএফ’র আওতায় মোট ২৩১৪টি স্লিপ বরাদ্দ হয়। অভিযোগ রয়েছে, এরমধ্যে ১৮১৪টি স্লিপ ইউনিয়ন বিএনপি প্রভাব খাটিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ে ভাগাভাগি করে নেয়। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা পেয়েছেন মাত্র ৫শ’ স্লিপ। বর্ণিত স্লিপ নিতে নির্বাচিত সদস্যরা অনিহা প্রকাশ করেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষ এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে স্লিপ বণ্টনের কারণে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যথাযথভাবে সহায়তা পাচ্ছেন না।
রামনগর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ, সদর উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবলু, সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদুর রহমান শামীম এবং মহিলা দলের নেত্রী জাহানারা বেগম ওয়ার্ড পর্যায়ে এ চালের স্লিপ ভাগবাটোয়ারা করেন।
সোমবার দিনব্যপী চাল বিতরণ কর্যক্রম চলে। আজ মঙ্গলবার বিতরণ কার্যক্রম চলবে। বিতরণ কাজে সহযোগিতা করছেন ইউপি প্রশাসক (সচিব) মিজানুর রহমান, ইউপি সদস্য মারুফ হোসেন তরু, গ্রাম পুলিশ আব্দুর রউফ, শালিস সহকারী শাহানাজ পারভীন প্রিয়াসহ গ্রাম পুলিশের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ রায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন- “আমরা যে পরিমাণ স্লিপ পেয়েছি, সেটি বলার মতো না। এত কম স্লিপ দিয়ে প্রকৃত দরিদ্র মানুষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব না।