Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ভেঙে পড়লেই প্রাণহানি

শতবর্ষী গাছের শুকনো ডাল এখন গলার কাঁটা

এখন সময়: শনিবার, ১৮ এপ্রিল , ২০২৬, ১১:২৮:৪৯ পিএম

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : বেশ কয়েক বছর আগে পৃথক দু’টি ঘটনায় মাথার উপরে বড় শুকনা ডাল ভেঙে পড়ে এক নারী এবং গাছ ভেঙে এক ব্যক্তিসহ দু’জন মারাও গেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ঝড় বাদলে শুকনা ডাল ভেঙে পড়ে আহত হয়েছেনও অনেকে। কিন্তু, তারপরও টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের নতুন বাজার ও মধুগঞ্জ বাজারসহ পৌরসভার দুটি সড়কে শতবর্ষী রেইনট্রি গাছের শুকনো ডালগুলি এখন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। যে কোনো সময়ে গাছগুলোর উপরের অংশে ঝুলে থাকা শুকনো ডাল ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনাসহ প্রাণহানীর শঙ্কা রয়েছে। সরেজমিনে শহরের ব্যস্ততম পৌরসভা সড়কটিতে গিয়ে দেখা গেছে, আড়পাড়া নতুন বাজার সংলগ্ন সড়ক ঘেষেই একটি শতবর্ষী শুকনা রেইনট্রি গাছ দণ্ডায়মান আছে। যার উপরের প্রায় সবকটি বড় ডালই শুকিয়ে গেছে। এরই নিচে জীবনের ঝুকি নিয়ে বেচাকেনা করছেন স্থানীয় মুরগি ব্যবসায়ী আলী হোসেন। তিনি বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ব্যবসা করি। বাতাস হলেই মনে হয় ডাল ভেঙে পড়বে। তিনি আরও জানান, এখানে বাজার করতে এসে বিগত ২০১৮ সালে পল্লী বিদ্যুতের এক কর্মকর্তার স্ত্রী ফাহমিদা বেগম নামে এক গর্ভবতী নারীর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু তার পরও ওই ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ডাল অপসারন হয়নি। এরই ৩’শ গজ দূরে আরেকটি রেইনট্রি গাছের শুকনো ডালে একই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা। এই সড়কের স্থানীয় হোমিও ডাঃ অজয় পাল বলেন, শুকনা ডাল ভেঙ্গে আগেও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়গুলি দ্রুত সমাধান হওয়া জরুরী। একই চিত্র শহরের মধুগঞ্জ বাজারের ব্যস্ততম সরকারী ভূষনস্কুল সড়কের হলুদ হাটাতে। সড়কটিতে বেশ কয়েকটি শতবর্ষী রেইনট্রি গাছে শুকনা ডাল ঝুলছে। গাছের নিচেই ব্যবসা প্রতিষ্টানসহ সপ্তাহে দুইদিন হলুদ কেনা বেচার হাট বসে। সেখানে শত শত মানুষের আগমন ঘটে। এছাড়াও এই সড়কেই অবস্থিত শিশুদের দু’টি স্কুলসহ মোট পাচটি শিক্ষা প্রতিষ্টানে শত শত শিক্ষার্থীরা চলাচল করে থাকে। গত কয়েক মাস আগে বৃষ্টির মধ্যে এ সড়কে একটি বড় রেইনট্রি গাছ পড়ে বিল্ডিং ভেঙে বেশ কয়েকজন ব্যাক্তি আহত হয়। অনুরূপ ভাবে গত ৫ বছর আগে সুগার মিলের সামনে শুকনা বড় গাছ ভেঙ্গে এক ব্যাক্তি নিহত হয়। এভাবে একের পর এক দূর্ঘটনা প্রানহানী ঘটলেও সংশ্লিষ্টরা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। স্থানীয়দের ভার্ষ্য, বিগত দিনে জেলা পরিষদ থেকে যাদেরই শুকনো গাছ কাটতে পাঠিয়েছেন তারাই তাজা গাছ কেটে নিয়ে গেছে। ফলে শুকনা গাছ ও ডাল রয়েই গেছে। এ সমস্যা নিরসনে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ জানান, সড়কের গাছগুলি ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের আওতাধীন। বিষয়টি তাদের আগেও জানানো হয়েছে। খুব দ্রুতই ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে কথা বলতে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদের মুঠোফোনে কয়েকবার কল দিলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)