শেখ কাজিম উদ্দিন, বেনাপোল : যশোরের শার্শায় পাটক্ষেতে নিয়ে তৃতীয় শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে (১১) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে সম্রাট হোসেন (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২ মে ) সকালে তাকে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হলে কারাগারে পাঠানো হয়। আটক সম্রাট হোসেন শার্শা উপজেলার শালকোনা গ্রামের হাবিবুর রহমান হবির ছেলে এবং শিশুটি শালকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী। শার্শা থানা পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সে বুধবার (২৯ এপ্রিল) বেলা ৩টার দিকে তার খেলার সাথী প্রতিবেশী তিনজনকে সাথে নিয়ে তাদের বাড়ির পাশে এড়োখাল ব্রীজের পাশে কাঁশফুল তুলতে যায়। বিকাল অনুমান ৪ টার সময় আসামি সম্রাট হোসেন বাইসাইকেল চালিয়ে এড়োখাল ব্রীজের নিকট যায়। ভিকটিমকে বাইসাইকেলে উঠতে বলে এবং অন্যান্য শিশুদের সেখানে বসে থাকতে বলে। শিশুটি বাইসাইকেলে উঠতে রাজি না হওয়ায় সে জোরপূর্বক তাকে বাইসাইকেলে উঠিয়ে শালকোনা গ্রামস্থ জনৈক বাবলুর পাটক্ষেতের মধ্যে থাকা সৌর বিদ্যুতের খুটির কাছে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন ভিকটিমের ডাক-চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামি সম্রাট কৌশলে ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়। এ সংক্রান্তে বৃহস্পতিবার সকালে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে শার্শা থানায় নিয়মিত মামলা করেন। শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, ওই শিশুটি তার তিনজন সঙ্গীসহ শালকোনা গ্রামের এড়োখাল ব্রীজের পাশে কাঁশফুল আনতে যাচ্ছিল। এ সময় সম্রাট পথের মাঝ থেকে তাকে বাইসাইকেলে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। সে শালকোনা গ্রামের জনৈক বাবলুর পাটক্ষেতের মধ্যে থাকা সৌর বিদ্যুতের খুটির কাছে নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় মেয়েটির আত্মচিৎকারে মাঠে থাকা লোকজন এগিয়ে এলে আসামি কৌশলে দৌঁড়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সম্রাট হোসেনকে আটক করা হয়েছে। পরে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দিয়ে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়।