Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ওষুধের আকাল

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২ জুন , ২০২৬, ০৭:৪৪:৪৫ পিএম

বিল্লাল হোসেন : যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে জীবনদায়ী ওষুধের তীব্র অভাব দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে অতি প্রয়োজনীয় অনেক ওষুধ, লিলেন সামগ্রী ও গজ ব্যান্ডেজ শেষ হয়ে গেছে। সরকারের বিনামূল্যের ওষুধসামগ্রী না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জানান, নতুন টেন্ডারে ওষুধ আসলেই সংকট কেটে যাবে।
যশোরসহ আশপাশের কয়েকটি জেলা ও উপজেলার রোগিদের আশা ভরসার স্থল যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল । সরকারি এই স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠনে প্রতিদিন দ্বিগুনের বেশি রোগি ভর্তি থাকেন। বহির্বিভাগে গড় চিকিৎসা সেবা নেন ৯শ’ থেকে ১ হাজার রোী। দেশসেরা হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত পাওয়ায় যশোরসহ নড়াইল, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, মাগুরা জেলার অধিকাংশ গরিব মানুষ এখানে আসেন। উদ্দেশ্য একটাই অল্প খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়া। গরিব মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারিভাবে এই হাসপাতালে ৮৪ প্রকারের ওষুধ সরবরাহ কর হয়। এর মধ্যে ইডিসিএল ৪৪ প্রকার ও স্বাস্থ্য অধিদফতর ও স্থানীয় অর্থে টেন্ডারের মাধ্যমে অবশিষ্ট ৪০ প্রকার ওষুধ কর্তৃপক্ষ ক্রয় করে। বর্তমানে হাসপাতালে গুরুত্বপূর্ণ দামি কোন ইনজেকশন,ওষুধ ,লিলেন সামগ্রী ও গজ ব্যান্ডেজ নেই।
হাসপাতালের সার্জারি, মেডিসিন, হৃদরোগ, গাইনি, অর্থোপেডিকস, গাইনি, শিশু, পেইং, লেবার ওয়ার্ডের একাধিক রোগীর স্বজনরা জানিয়েছেন-এসব ওয়ার্ডে রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল থেকে যৎসামান্য ওষুধ দেয়া হয়। প্রায় ওষুধ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে তাদের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়-গুরুত্বপূর্ণ এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন সেফট্রিঅ্যাকসন, সেফ্রাডিন হাইড্রোকরটিসন,ওমিপ্রাজল, ম্যাট্রোনিডাজল, ক্যাসিন, ক্যাপসুল সেফ্রাডিন, ক্লিনডামাইসিন, এমোক্সসাসিলিন,সেফিক্সিম, ক্লিনডামাইসিন, ওমেপ্রাজল ৪০এমজি ও এনোক্সাপ্যারিন, ট্যাবলেট অ্যালবেনডাজল, কারভিস্টা, সেফুরএক্সিম, সিটিরিজিন, ইটোরাক, ইসোরাল, হিস্টাসিন,লপিরিল, লপিরিল প্লাস,লোসারটন,মন্টিলোকাস্ট, নেপরোস্কিন, অফলোক্সাসিন, প্যান্টোনিক্স, স্যালবোটল, রাবিপ্রাজল, কারভিস্টা, সিরাপ অ্যামব্রোক্স, বি-কমপ্লেক্স, সেফুরএক্সিম, ডমপেরিডন, লবুপ্রোফেন, ড্রপ সিপরোসিন, ক্যামিক্যাল রি এজেন্ট, সার্জিক্যাল গজ, ব্যান্ডেজ, ক্যাথেটার, মাইক্রোপর,জিপসোনা, সপ্টরোল, ক্রেপ ব্যান্ডেজ রোল, সার্জিক্যাল গ্লোপস শেষ হয়ে গেছে।
হাসপাতালের ফার্মেসীর সামনে অপেক্ষা করে দেখা গেছে- বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষ প্রয়োজন মত গ্যাসের ট্যাবলেট ওমেপ্রাজল, মন্টিলোকাস ট্যাবলেট পাচ্ছেন না। রোগীর চাহিদার তুলনায় সরবরাহ না থাকায় সংকট তৈরি হয়েছে। সূত্র জানায়, বর্হিবিভাগে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার গ্যাসের ক্যাপসুলের ওষুধের চাহিদা রয়েছে। গ্যাসের ওষুধ না থাকায় ফার্মেসীতে দায়িত্বরদের রোগীদের গালমন্দ শুনতে হচ্ছে ।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, কয়েক প্রকারের ওষুধ শূন্য হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ সরবরাহ পেতে ইডিসিএলে যোগাযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নতুন টেন্ডারের ওষুধ আসলে সংকট কেটে যাবে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)