নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামিক ফাউন্ডেশন যশোর জেলা কার্যালয় মিলনায়তনে সোমবার ‘জেলা পর্যায়ে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ। তিনি বলেন- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইমাম সমাজকে আইসিটি বা তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইমামদের কম্পিউটারসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে যে অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা করেছে তা প্রশংসনীয়। ইমামরা যদি মৎস্য, কৃষি ও পশুপালনে নেতৃত্ব দেন, তবে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও চাঙ্গা হবে। সমাজের প্রতিটি ইতিবাচক পরিবর্তনে দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবেন’। সমাজ সংস্কার, নৈতিকতার অবক্ষয় রোধ এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে ইমামদের ভূমিকা অপরিসীম। শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ইমামদের আধুনিক ও বাস্তবমুখী শিক্ষায় দীক্ষিত হয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন যশোর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ আলোচকের বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার সিদ্দিকুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আবুল হাসান, আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন, ফিল্ড অফিসার ইজাজুল ইসলাম, জেলা মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব মঈনুদ্দীন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাস্টার ট্রেইনার মাওলানা আশরাফ হোসেন। সম্মেলনে যশোর জেলার ৮ উপজেলা থেকে দেড় শতাধিক ইমাম ও খতিব অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে তিনজনকে জেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ ইমাম’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে এই গৌরব অর্জনকারী তিন শ্রেষ্ঠ ইমামকে এবার পরবর্তী ধাপের মূল্যায়নের জন্য বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় (খুলনা বিভাগ) পাঠানো হবে। সেখানে সফল হলে তারা জাতীয় পর্যায়ে ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়নে অংশ নেবেন এবং প্রতিবছরের ন্যায় শ্রেষ্ঠ ইমামগণ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে সরাসরি জাতীয় পুরস্কার ও সম্মাননা গ্রহণ করবেন।