কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে অপহৃত ৯ বছরের এক শিশুকে নির্যাতনের পর মৃত ভেবে বাঁওড়ে কচুরিপানায় নিচে চাপা দেবার অভিযোগ উঠেছে এক মাদকসেবীর বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয়দের তৎপরতায় শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারপূর্বক উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার বারোবাজার মহিষাহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশু জাহিদ ওই গ্রামের ভ্যানচালক আবুল কালামের ছেলে। এবং অভিযুক্ত মাদকাসক্ত যুবক হৃদয় হাসান (২৬) একই গ্রামের আমিনুর রহমানের ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশে খেলছিল জাহিদ। এ সময় বখাটে মাদকসেবী হৃদয় হাসান তাকে মোটরসাইকেলে তুলে নেয়। শিশুটি যেতে রাজি না হলে তাকে মারধর ও নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হৃদয়সহ আরও দুই সহযোগী মাজদিয়া বাঁওড়ের কচুরিপানার নিচে রেখে পালিয়ে যায়। কিছু সময় পরই পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়া এক ভ্যানচালক কচুরিপানার ফাঁকে শিশুটিকে দেখতে পায় । এ সময় তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে স্বজনরা তাকে দ্রুত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শিশুটির বাবা ভ্যানচালক আবুল কালাম জানান, সকালে তিনি ভ্যান নিয়ে বের হবার কিছু সময় পরই পরিবারের সদস্যরা ফোনে তাকে জানান, জাহিদকে হত্যা করে মাজদিয়া বাওড়ের কচুরিপানার নিচে ফেলে রাখা হয়েছে। এ খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি মাদকাসক্ত যুবক জাহিদের বিচার দাবি করেছেন। কালীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মনিরুজ্জামান জানান, তিনি হাসপাতালে আছেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশুটির চিকিৎসা চলছিল। পরিবার অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান তিনি।