Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

কানাডাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সুইজারল্যান্ড

এখন সময়: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন , ২০২৬, ১১:১৯:৫৩ এম

ক্রীড়া প্রতিবেদক : প্রথমার্ধ ছিল নিষ্প্রাণ। দ্বিতীয়ার্ধে বদলে গেল ম্যাচের চিত্র। বিরতির পরপরই রুবেন ভারগাসের গোল, এরপর জোহান মানজাম্বির ব্যবধান বাড়ানো। শেষ দিকে জোনাথন ডেভিড কানাডাকে আশা দেখালেও শেষ রক্ষা হয়নি। সহ-আয়োজক কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ ‘বি’ চ্যাম্পিয়ন হলো সুইজারল্যান্ড। ভ্যানকুভারের বিসি প্লেসে ম্যাচের আগে পরিবেশ ছিল কানাডার পক্ষে। ঘরের মাঠে শেষ পাঁচ ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই নেমেছিল তারা। জিতলে গ্রুপসেরা হয়ে শেষ বত্রিশের ম্যাচও ভ্যানকুভারে খেলার সুযোগ ছিল কানাডার সামনে। কিন্তু মাঠের খেলায় সুইজারল্যান্ডই ছিল বেশি গোছানো। ম্যাচের শুরুতে দুই দলই সেট-পিস থেকে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করে। তবে ষষ্ঠ মিনিটে কানাডার ফ্রি-কিক ও সুইজারল্যান্ডের কর্নার, দুই ক্ষেত্রেই প্রথম বাধা পেরোতে পারেনি বল। ১১ মিনিটে দারুণ সুযোগ পেয়েছিল সুইজারল্যান্ড। কানাডার রক্ষণ লাইন ভেঙে একা বেরিয়ে যান ব্রিল এমবোলো। তবে দ্রুত বেরিয়ে এসে তার চেষ্টা রুখে দেন কানাডা গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো। ফিরতি বলে মানজাম্বির শট ব্লক করেন ডেরেক কর্নেলিয়াস। ১৩ মিনিটে কানাডারও সুযোগ এসেছিল কাইল লারিনের সামনে। তবে বল নিয়ন্ত্রণে সময় বেশি নেন তিনি। সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল দ্রুত বেরিয়ে এসে বিপদ সামলান। পরে অফসাইডের পতাকাও ওঠে। প্রথম ২০ মিনিটে কানাডা ছিল অনেকটাই ব্যাকফুটে। সুইজারল্যান্ড আক্রমণে বেশি সক্রিয় ছিল, আর স্বাগতিকরা ভরসা রাখছিল সেট-পিসে। ২২ মিনিটে পানীয় বিরতিতে খেলা থামে। বিরতির পর কিছুটা গুছিয়ে ওঠে কানাডা। ৩২ মিনিটে কানাডার ভালো সুযোগ আসে। জোনাথন ডেভিডের পাস থেকে লারিন নিচু শট নেন, তবে কোবেল সেটি ধরে ফেলেন। একই সময়ে মাঠে কিছুটা উত্তেজনাও ছড়ায়। গ্রানিত জাকা ফ্রি-কিক নিতে গেলে লারিন বল সরিয়ে দেন। এরপর জাকা পা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। ৩৫ মিনিটে বক্সের ভেতর ভারগাসের সামনে সুযোগ ছিল এমবোলোর জন্য বল সাজিয়ে দেওয়ার। কিন্তু তার কাটব্যাক দুর্বল হওয়ায় কানাডা সহজেই ক্লিয়ার করে। ৩৭ মিনিটে এমবোলো পেনাল্টির আবেদন করেন। বক্সের ভেতর তাকে হালকা ধরে রাখা হলেও ভিএআর দ্রুতই আবেদন বাতিল করে। ৪২ মিনিটে কানাডা সবচেয়ে সুন্দর সুযোগ পায়। আলিস্টেয়ার জনস্টন বল দেন ডেভিডকে। তিনি ঘুরে বল পাঠান আলি আহমেদের দিকে। কিন্তু আহমেদের শট গোলরক্ষক সহজেই ধরে ফেলেন। ৪৪ মিনিটে আবার চেষ্টা করেন ডেভিড। লারিনের পাস পেয়ে জায়গা তৈরি করলেও তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। প্রথমার্ধের যোগ করা সময় ছিল চার মিনিট। তবে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। বিরতিতে স্কোর ছিল ০-০। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৪৬ মিনিটে ডান দিক দিয়ে দারুণ দৌড়ে এগিয়ে যান মানজাম্বি। তার কাটব্যাক পেয়ে কাছ থেকে এক স্পর্শে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিচু শটে জালে পাঠান ভারগাস। এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। ৫৬ মিনিটে আহমেদের ক্রসে হেড নিতে পারেননি লারিন। সুযোগটি হাতছাড়া হওয়ার এক মিনিট পর আবার গোল হজম করে কানাডা। ৫৭ মিনিটে মাঝমাঠের দিক থেকে আসা বল ঠিকমতো সামলাতে পারেনি কানাডার রক্ষণ। এমবোলো বল নামিয়ে দেন মানজাম্বির জন্য। বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শটে ক্রেপোর শরীর ভেদ করে বল জালে পাঠান মানজাম্বি। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। ৭৫ মিনিটে সুইজারল্যান্ড দুটি পরিবর্তন আনে। ইয়াকেসের বদলে সিলভান ভিডমার এবং জিব্রিল সোয়ের বদলে মিশেল এবিশার নামেন। একই সময়ে কানাডার হয়ে তাজন বুকানানের জায়গায় নামেন জোনাথন ডেভিড। মাঠে নেমে দ্রুতই প্রভাব রাখেন ডেভিড। ৭৬ মিনিটে উইং দিয়ে ভেসে আসা বল দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন সালিবা। এরপর নিখুঁত ক্রসে ডেভিডকে খুঁজে পান তিনি। বদলি নামার মাত্র ৭৩ সেকেন্ডের মাথায় বল জালে পাঠান ডেভিড। ব্যবধান কমায় কানাডা। গোলের পর ম্যাচে ফেরার আশা তৈরি হয় কানাডার। ৭৯ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সামনে পোস্টে হেডের সুযোগ পেয়েছিলেন ওলুওয়াসেই। কিন্তু তিনি বল বাইরে পাঠান। এক মিনিট পর ভারগাসকে তুলে ড্যান এনডোইকে নামায় সুইজারল্যান্ড। শেষ দিকে কানাডা একের পর এক আক্রমণে যায়। ৮৭ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে এনডোইকে টেনে ফেলে হলুদ কার্ড দেখেন মিলার। এরপরও কানাডা চাপ ধরে রাখে।পঞ্চম মিনিটে কানাডা পায় সবচেয়ে বড় সুযোগ। মার্কারকে কাটিয়ে জনস্টন ফ্রি হেড নেন। কিন্তু হেডে যথেষ্ট শক্তি ছিল না। কোবেল সেটি ঠেকিয়ে দেন। আর সেখানেই শেষ হয়ে যায় কানাডার সমতায় ফেরার আশা।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)