মালয়েশিয়া প্রতিনিধি : বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার কার্যনির্বাহী সদস্য প্রবাসী সাংবাদিক মো. আরিফুজ্জামানের মেজো ভাই মিডিয়াকর্মী এস এম কামরুজ্জামান স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুরে বুকিত বিনতাং পিঠাঘর রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়া আয়োজিত শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন। শোক সভায় বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান খান, মালয়েশিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি তালহা মাহমুদ, বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিক আহমদ খান ও এস এম কামরুজ্জামানের ছোটভাই প্রবাসী সাংবাদিক মো. আরিফুজ্জামান।
বক্তব্যে প্রকৌশলী বাদলুর রহমান খান বলেন, "প্রবাসীদের সবচেয়ে বড় কষ্ট হচ্ছে-- দেশে কারো স্বজন পৃথিবী ছেড়ে গেলে তাকে দেখতে না পারা, জানাজায় অংশ নিতে না পারা, শেষ বিদায়ে থাকতে না পারা। আমরা যারা প্রবাসে থাকা অবস্থায় স্বজন হারিয়েছি, আমরা অনুধাবন করতে পারি এই কষ্ট।"
তিনি প্রবাসী সাংবাদিক আরিফুজ্জামান ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। শোক সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সাবেক সভাপতি মোস্তফা ইমরান রাজু, সহ-সভাপতি খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, আশরাফুল মামুন, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, বাপ্পী কুমার দাস, দপ্তর সম্পাদক সওকত হোসেন জনি, যমুনা টেলিভিশনের মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মো. মনিরুজ্জামান, বিডিএফসি মালয়েশিয়ার সাবেক সভাপতি হাজী আবদুল মোবিন ভুঁইয়া, বিডিএফসির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী আসগর মিলন, যুবদল মালয়েশিয়া শাখার সহ-সভাপতি শেখ মোহাম্মদ সেলিম, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যবসায়ী মো. রাসেল রানা, জাসাস মালয়েশিয়া শাখার আহবায়ক আসাদুজ্জামান মাসুম, প্রবাসী অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি ফয়সাল শেখ, যুবদল নেতা সাইদুর রহমান বাবু প্রমূখ। এর আগে বাদে মাগরিব মরহুম মো. কামরুজ্জামানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কুয়ালালামপুর বুকিত বিনতাং সুরাও আল-খায়েরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।
এস এম কামরুজ্জামান গত ৩ আগস্ট সোমবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন। মরহুম এস এম কামরুজ্জামান যশোরের বিভিন্ন পত্রিকায় দীর্ঘদিন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন। দুই দশক আগে তিনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক কল্যাণে কাজ শুরু করেন। পরে দৈনিক লোকসমাজ হয়ে সর্বশেষ তিনি দৈনিক স্পন্দন পত্রিকায় সিনিয়র গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।