যবিপ্রবি প্রতিনিধি : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের ২০০৯-২০১০ সেশনের প্রাক্তন শিক্ষার্থী লিপিকা রানী রায়ের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। এক শোক বার্তায় উপাচার্য বলেন, লিপিকা রানী রায় ছিলেন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অত্যন্ত মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তার এই অকাল প্রস্থান অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে তার মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছিলেন। তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে যবিপ্রবি পরিবার একজন গুণী অ্যালামনাইকে হারাল এবং তার পরিবারের যে অপূরণীয় ক্ষতি হলো তা পূরণ হওয়ার নয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার, পরিজন ও দীর্ঘদিনের শিক্ষক-সহপাঠীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। উল্লেখ্য, লিপিকা রায় দীর্ঘদিন ধরে অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। গত ১২ আগস্ট রাত আটটায় সিটি মেডিকেল, খুলনার আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বলে তার পরিবার জানিয়েছেন। তিনি কর্মজীবনে কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা ইন্দুমতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। লিপিকা রানী রায়ের পিতার নাম মুকুন্দ মুরারী রায় ও স্বামী অমৃত মন্ডল যিনি বাংলাদেশ পুলিশে সার্জেন্ট পদে কর্মরত আছেন। তার গ্রামের বাড়ি যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামে। মৃত্যুকালে লিপিকা রানী রায় তিন বছরের একটি ছেলে সন্তান রেখে গেছেন। এদিকে লিপিকা রানী রায়ের অকাল মৃত্যুতে যবিপ্রবির শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার অকাল প্রয়াণে ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর, সাংবাদিক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।