নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর শহরের পূর্ব বারান্দী ফুলতলা মাঠপাড়া এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী শরিফুল ইসলাম জিতু হত্যা মামলার আসামি সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। জিতু প্রায়ই সময় তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নিতো। ঘটনার দিন টাকা না দিয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে ছুরিকাঘাতের পাল্টা হামলায় জিতু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সুমন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক সুমন মূলত চুরি পেশার সাথে জড়িত। সন্ত্রাসী জিতু প্রায়ই জোরপূর্বক তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নিতো। ঘটনার দিন রাতে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে জিতু সুমনের ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মুখে আঘাত করে। এ সময় সুমনের মা ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে জিতু তাকেও লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। চোখের সামনে মাকে মারধর করতে দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে সুমন ঘরে থাকা দা দিয়ে জিতুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে জিতুর মৃত্যু হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতয়ালি থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) দীনেশ ঘোষ জানান, আটক সুমনকে আদালতের মাধ্যমে তিননের রিমান্ডে হয়েছিল। রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়ে হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই রাতে সন্ত্রাসী জিতু খুন হন। তিনি পূর্ব বারান্দী মোল্লা পাড়ার সিরাজুল ইসলাম সিরার ছেলে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ভাই সাইফুল ইসলাম শক্তি বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।