নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, প্রতিষ্ঠানের রেজুলেশন খাতা নিয়ে যাওয়া এবং হত্যার হুমকির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার ঘোপ সেন্ট্রাল রোড এলাকার বাসিন্দা ও যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ফারুক হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগের তদন্ত করে সিআইডি পুলিশকে নিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। মামলায় আসামিরা হলো-যশোরের নওয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার, তার স্ত্রী নাসরিন সুলতানা এবং তেজরুল গ্রামের সাইদুর রহমান। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি ২০১৪ সালে আটজন অংশীদারের যৌথ মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে গোলাম সরোয়ারকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) করা হয়। নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন এমডি পদে থেকে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি ও তার দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের নিয়মিত হিসাব না দিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় টাকা ফেরত চেয়ে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর গোলাম সরোয়ারকে আইনি নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। গত ২৫ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গোলাম সরোয়ার, নাসরিন সুলতানাসহ কয়েকজন যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে আসেন। এ সময় আত্মসাৎ করা ১৫ লাখ টাকা ও প্রতিষ্ঠানের রেজুলেশন খাতা ফেরত চাইলে আসামিরা উত্তেজিত হয়ে তাকে মারধর ও প্রতিষ্ঠান দখলের চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে গোলাম সরোয়ার বাদীকে হত্যার পর লাশ গুম করার হুমকি এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার ভয় দেখিয়ে চলে যান। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি আদালতে মামলা করেছেন।