নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে আলাদা ঘটনায় মাদকদ্রব্য সেবন ও চুরির সময় হাতেনাতে আটক ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে একদিনের বিচারিক আদালত। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল ও সাকিব আহম্মেদ ইমন আলাদা রায়ে তাদের সাজা দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলো, শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের সুমনের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত কালু শেখের ছেলে আকিল, সদরের মোবারককাঠি গ্রামের আবু জাফরের ছেলে বোরহান উদ্দিন, বাঘারপাড়ার কোটারাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা যশোর উপশহরের ই-ব্লকে বাসিন্দা মৃত আলতাফ হোসেন রুমান হোসেন, কেশবপুরের মূলগ্রামের মৃত পরিতোষ নন্দের ছেলে জয়ন্ত নন্দী ও মৃত আব্দুল হালিম মোড়ল রায়হান হোসেন। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ৮ অক্টোবর সকাল ৬টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের নার্স কোয়ার্টারের নিচ থেকে বৈদ্যুতিক কার্টআউট খুলে তার চুরির চেষ্টাকালে আকিলকে আটক করা হয়। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় মামলা দিয়ে প্রতিবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। শুনানি শেষে আসামি দোষস্বীকার করায় বিচারক তাকে দুই মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশদিয়েছেন। অন্যদিকে, ৭ অক্টোবর রাতে মোবারককাঠি গ্রামের মনির হোসেন তেল পাম্পের পূর্ব পাশে যশোর-খুলনা মহাসড়ক থেকে বোরহান উদ্দিনকে আটক ও তার কাছ থেকে ৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দিয়ে প্রতিবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। শুনানি শেষে আসামি দোষস্বীকার করায় বিচারক তাকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। ৮ অক্টোবর রাত দেড়টার দিকে শহরের বড়বাজারের মাড়ুয়া মন্দিরের গেটের সামনে থেকে রুমন হোসেন আটক ও তার কাছ থেকে ২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনসহ রুমনকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। শুননি শেষে আসামি দোষস্বীকার করায় বিচারক তাকে ২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। ৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে আক্তারের বাড়ির সামনে ইটের সলিং রাস্তা থেকে জয়ন্ত ও রায়হানকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় মামলা দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনসহ আটক দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। শুনানি শেষে আসামিরা দোষস্বীকার করায় বিচারক তাদের ১ মাস ১৫ দিন করে সশ্রম কারাদণ্ড, ৫শ’ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত সকলে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক আছে।