Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

শার্শায় লাইভে এসে নারীর আত্মহত্যা, থানায় মামলা

এখন সময়: রবিবার, ১৮ অক্টোবর , ২০২৬, ১০:০১:০৪ পিএম
শার্শায় লাইভে এসে নারীর  আত্মহত্যা, থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের শার্শা উপজেলায় ফেসবুক লাইভে এসে গ্যাসের ট্যাবলেট সেবনের পর চম্পা বেগম (২৮) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের ভাইয়ের করা মামলায় স্কুলশিক্ষক কবিরুল ইসলামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার কার্যক্রম নিয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের স্বজনেরা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি। নিহত চম্পা বেগম শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের মালয়েশিয়াপ্রবাসী মিন্টু রহমানের স্ত্রী। তাঁর দুটি সন্তান রয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্কুলশিক্ষক কবিরুল ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চম্পার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। এ সময় তাঁর কাছ থেকে অর্থও নেওয়া হয় বলে দাবি স্বজনদের। পরে বিয়ে না করায় মানসিক কষ্ট থেকে চম্পা আত্মহত্যা করেছেন বলে তাঁদের অভিযোগ। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কবিরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নিহতের চাচা শ্বশুর শরফত আলী বলেন,তাঁর ভাতিজা মিন্টু রহমান দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় থাকেন। এ সুযোগে কবিরুলের সঙ্গে চম্পার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। মিন্টুর পাঠানো অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন শরফত আলী। নিহতের আরেক চাচা শ্বশুর আরিফ বিল্লাহ বলেন, দুটি শিশুসন্তান রেখে চম্পার এভাবে চলে যাওয়া তাঁদের পরিবারকে শোকাহত করেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তাঁরা। এদিকে, ঘটনার পর মামলা গ্রহণে বিলম্ব এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় একটি মহল ওসির সহযোগিতায় অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছিল। পরে তিনি হস্তক্ষেপ করে রোববার দুপুরে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করান। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানান তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে শার্শা থানার ওসি শামিনুল হক বলেন,চম্পা বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে। অর্থের বিনিময়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া বা কোনো পক্ষের চাপে মামলা গ্রহণে বিলম্বের অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, মামলায় কে বাদী হবেন, তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হওয়ায় মামলা গ্রহণে দেরি হয়েছে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)