মিরাজুল কবীর টিটো : আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৪০ শতাংশ পরীক্ষার্থীর ফরম পূরণ সম্পন্ন করতে পারেনি, তাদের জন্য ফরম পূরণের সুযোগ বাড়িয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস.এম. হোসেন আলী সাক্ষরিত এক অফিস চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের প্রাথমিক সময় নির্ধারিত ছিল। তবে এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের নির্ধারিত ৪০ শতাংশ পরীক্ষার্থীর ফরম পূরণ সম্পন্ন করতে পারেনি, কেবল সেসব প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ফরম পূরণের বিশেষ সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে সোনালী সেবার মাধ্যমে পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার সর্বশেষ তারিখও আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। বোর্ডের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ৮ ডিসেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ১৫ ডিসেম্বর। প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, আগামী ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি এবং ১৩ ডিসেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান বিষয়ের জন্য ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের জন্য ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট-সর্বমোট ৩ ঘণ্টার এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ এই সময়সূচি পরিবর্তন করার অধিকার সংরক্ষণ করেন। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে গ্রহণের লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ড থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের স্ব স্ব পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কেন্দ্র সচিবকে পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট থেকে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে সাত দিন পূর্বে সংগ্রহ করবে। উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে পরীক্ষার্থীদের তাদের রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং বিষয় কোড যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বোর্ডের অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনতে পারবে না।