নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর সদরের বানিয়াবহু গ্রামের রড মিস্ত্রি হাবিবুর রহমানকে অপহরণ মুক্তিপণ দাবি ও মারপিটের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান ৭জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা হয়েছে।
আটককৃতরা হলো, মণিরামপুরের প্রতাপকাঠি গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে মেহেরাব বিন শাহাদাৎ ও চৌগাছার ভবানীপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মেহেদী হাসান।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান যশোর শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় রড মিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। দুই তিন মাস আগে আসামি সানাউল হক সানার সাথে তার পরিচয় হয়। সে সময় হাবিবুরের মোবাইল নাম্বারটি নেয় আসামি সানাউল। গত ২ জানুয়ারি সানাউল মোবাইল করে হাবিবুরকে পুলেরহাট এলাকায় দেখা করতে বলে। রাত সাড়ে নয়টার দিকে হাবিবুর পুলেরহাট এলাকায় গেলে ২/৩ জন তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এরপর তাকে নানা ভয়ভীতি দেখায় এবং তার কাছে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে মারপিট করা হয়। তার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে টাকা আনতে বলে। টাকা না পেয়ে তাকে আটকে রাখা হয়। পরদিন ৩ জানুয়ারি দুপুর দেড়টার দিকে হাবিবুরের মা ও খালাতো ভাই টাকা নিয়ে পুলেরহাটে যায়। তারা সে সময় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দেন। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাবিবুরকে উদ্ধার ও ওই দুইজনকে আটক করে। এ ঘটনায় হাবিবুর আটক দুইজনসহ ৬ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
পলাতক আসামিরা হলো, সদর উপজেলার পুলেরহাট বেড়বাড়ি গ্রামের বিপ্লবের ছেলে সানাউল হক সানা, কাজী আসলাম বাবুর ছেলে তানভীর, একই এলাকার সোহেল ও বিপ্লব। আটক দুইজনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।