নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে বিকাশ এজেন্টের দোকানে চুরির অভিযোগে শামীম হোসেন গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় দোকান মালিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে নিতের পিতা ছবদুল বিশ্বাস বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। আসামিরা হলো- শ্রীকান্তনগর গ্রামের কুতুবের দুই ছেলে দোকান মালিক আরাফাত ও আশিক, লতিফের ছেলে আজাহারুল, সাইফুলের দুই ছেলে ইসমাইল ও শিহাব ও দেলোয়ারের দ্ইু ছেলে ইমন ও নয়ন। এ ঘটনায় আটক দোকান মালিক আরাফাতকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, শামীম হোসেন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী। বিভিন্ন ডাক্তার দেখিয়ে তার কোনো উন্নতি হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে শামীম বলাডাঙ্গা গোবিন্দ মোড়ে আরাফাত ও আশিকের দোকানের সামনে শুয়ে বসে থাকে। বৃহস্পতিবার রাত ২ টার দিকে মোড়ের বিকাশের এজেন্ট আরাফাত সিসিটিভির ফুটেজে দেখে দরজা ভেঙে শামীম দোকানের ভিতরে গেছে। আরাফাত বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে দোকানে এসে শামীমকে ধরে ফেলে। এ সময় গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয়ে শামীমের মৃত্যু হয়। বিষয়টি ভোরে স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে শামীমের লাশ দেখতে পায়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা দোকান মালিকসহ ৭ জনসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন।