নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্ধারিত সময়ের পর উপস্থিত হওয়ায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেনি যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জহুরুল ইসলাম। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটার মধ্যে বিধান থাকলেও জহুরুল পৌঁছাতে পারেননি। ফলে সহকারী রির্টানিং অফিসার তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করেননি। যে কারণে বুধবার তার প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ঘোড়া প্রতীক থাকবে ব্যালট পেপারে। এদিকে, মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দিতে না পারলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার রাত ৯টায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রেসক্লাব যশোরের মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, চৌগাছা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তবে চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রির্টানিং অফিসার তানভীর আহমদ বলেন-‘জহুরুল ইসলাম আমার কাছে বিকাল পাঁচটার পরে আসেন। তখন প্রত্যাহারের সময় শেষ। তাছাড়া মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন আমি গ্রহণ করতে পারিনা। ফলে তাকে রির্টানিং অফিসারের কাছে যেতে বলি। তবে তিনি দাবি করেন, প্রত্যাহারের আবেদন পত্রে আমি কোনো সাক্ষর করিনি।’ এই বিষয়ে জেলা রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের মুঠোফোনে কয়েক দফা কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন প্রত্যাহারের ধার্য্য সময়ের মধ্যে যেহেতু জহুরুল ইসলাম জমা দিতে পারেননি। ফলে চুড়ান্ত প্রার্থীর তালিকায় জহুরুলের নাম রয়েছে। ঘোড়া নামে প্রতীকও বরাদ্দ হয়েছে।