Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

আলমডাঙ্গায় জামায়াতের অফিস ও কর্মীদের দোকানে হামলার অভিযোগ, আহত ১০

এখন সময়: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ , ২০২৬, ০১:১১:৫৩ এম

আলমডাঙ্গা অফিস : আলমডাঙ্গা উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীুর স্থানীয় অফিস ও দলটির কর্মী-সমর্থকদের দোকানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। পৃথক সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদী ইউনিয়নের নতিডাঙ্গা গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে নতিডাঙ্গা বাজার ও আশপাশের এলাকায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মীরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় ওয়ার্ড অফিসে ভাঙচুর এবং দলটির কর্মী-সমর্থকদের কয়েকটি দোকানে লুটপাট করেন।
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে নতিডাঙ্গার সুলাইমান মুদির দোকান, রাজুর মুদি ও চায়ের দোকান এবং ইমাদুল নাপিতের দোকান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোকানের মালামাল উল্টে দেয়া হয় এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত নেতারা তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রত শনাক্ত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর এলাকায় কর্মী-সমর্থকরা হুমকির মধ্যে রয়েছেন এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকেল চারটার দিকে নতিডাঙ্গা এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি টহল দল উপস্থিত হয়। ওদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের শ্রীরামপুর কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর বিজয় ঘোষণার পর একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জগন্নাথপুর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহত বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে রয়েছেন জগন্নাথপুর উত্তরপাড়ার মুকুল (৪৫), মিজান (৪০) ও রনি (২০)। জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে আহত হয়েছেন হাসান (২২), লুৎফর (৬০), আবু বক্কর (৬৫), ইকরামুল (৫৫), শরিফুল (৪৫) ও আতিয়ার (৫৫)।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন আলমডাঙ্গা উপজেলার কালীদাসপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর উত্তরপাড়ার মো. রিফাত ওরফে শ্রমিক (২০)। তিনি কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভোট দিতে বাড়িতে এসে মিছিলে চাচার ওপর হামলা হতে দেখে তাকে রক্ষা করতে গেলে দুর্বৃত্তরা পিছন থেকে তার মাথায় আঘাত করে।
স্থানীয়রা তাকে প্রথমে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয় এবং বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রিফাত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন।
ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে কালীদাসপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজারে একটি চা-স্টলে ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় সাবেক চেয়ারম্যান নুর ইসলাম (৬২) এর সঙ্গে স্থানীয়দের বাকবিতন্ডা হয় ।
নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
এবিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের খবর পেলে পুলিশ তাৎক্ষণিক উপস্থিত হয় , এখন নিয়ন্ত্রণে আছে পরিস্থিতি। লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)