Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি

শৈলকুপায় কালী নদীর সংযোগ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

এখন সময়: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি , ২০২৬, ১০:৪৮:৩৮ পিএম

খাইরুল ইসলাম নিরব, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহের শৈলকুপার প্রায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে কালী নদীর উপর নির্মিত সেতুর উভয় পাশে সংযোগ সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তদারকির অভাব ও জবাবদিহি না থাকায় ঠিকাদার ইচ্ছামত সেতুর সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ করছে। তবে সড়ক বিভাগ বলছে, নিয়মিত তদারকি চলছে। এদিকে জনসাধারণের দাবি, সেতুর সংযোগ সড়কে ব্যবহার করা নির্মাণ সামগ্রী সঠিকভাবে ল্যাব টেস্ট করলে বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল।
জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে শৈলকুপা শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে তমালতলা নামক স্থানে কালী নদীর উপর নির্মিত হচ্ছে সেতুটি। ১২১ মিটার দৈর্ঘ্য সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। বাগেরহাটের মেসার্স মোজাহার এন্টার প্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেড ২০২৩ সালের ৩১ আগস্ট কার্যাদেশ পায়। তবে ঠিকাদার বাবু পাটয়ারী কাজটি শুরু করেন। বিগত ২০২৫ সালের ২০ জুন কাজের মেয়াদ শেষ হলেও এখনো সংযোগ সড়কের কাজ শেষ হয়নি।
সরেজমিন দেখা যায়, সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দিলেও এখনো পূর্ব ও পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের কাজ শেষ হয়নি। প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে হাজারো মানুষ চলাচল করে। দায়সারাভাবে চলছে সংযোগ সড়কের কাজ। এছাড়াও সংযোগ সড়কে সেতুর উভয় পাশে ব্যবহার করা হচ্ছে পাথর, ইট ও খোয়াসহ নিম্নমানের সামগ্রী। নিম্নমানের বালু, সেইসাথে মাটি মিশ্রিত পুরোনো ইটের খোয়া ও তার অবশিষ্ট অংশের ধুলোবালি দিয়ে রোলারের কাজ করা হচ্ছে। ঠিকমত পানি ব্যবহার করা হচ্ছে না। সংযোগ সড়কের কাজ তদারকিতে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের দেখা যাইনি। চলমান কাজ দেখে মনে হয় সড়ক বিভাগের গাফিলতি ও স্বজনপ্রীতি থাকায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এভাবেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোফাজ্জেল হোসেন ডাবলু বলেন, এখানে কাজের কোন তদারকি চোখে পড়ে না। এখানে ঠিকাদার ইচ্ছামত কাজ করে যাচ্ছে। সংযোগ সড়কে ভাটার ৩ নম্বর ইট ও নিম্নমানের বালি ব্যবহার করা হয়েছে।
ঠিকাদারের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম মিঠু বলেন- আমরা ভালো মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করছি। কিছু ভুলক্রটি থাকতে পারে। ল্যাব টেষ্ট করলে বোঝা যাবে আমরা কেমন নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করেছি।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন- সেতুটির পূর্ব ও পশ্চিম পাশে সংযোগ সড়কের কাজ চলছে। এখানে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার সুযোগ নেই। ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ধরা পড়লে কাজের বিল আটকে দেয়া হবে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)