ফরহাদ খান, নড়াইল : ১০ রোজার পর থেকেই নড়াইলের মার্কেটগুলোতে ঈদের নতুন পোশাক বেচাকেনা জমে উঠেছে। ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ভালো বেচাকেনা হচ্ছে।
বাহারি রঙের পোশাকের পাশাপাশি জুতা-স্যান্ডেল, কসমেটিক্স পণ্য কিনছেন সবাই। সকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। নড়াইলের মার্কেটগুলোতে এক হাজার থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকার পোশাক বেচাকেনা বেশি হচ্ছে। এমনটি জানিয়েছেন, ক্রেতা-বিক্রেতারা।
স্কুলপড়ুয়া তাবাসসুম ফাতেমা জানায়, সে তার আম্মুর সঙ্গে ঈদ বাজারে এসেছে। দেড় হাজার টাকার মধ্যে নতুন পোশাক কিনেছে। রিপন হোসেন বলেন, দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির সময়ে দাম মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে আছে। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে স্ত্রী, ছেলে-মেয়েসহ নিজের জন্য নতুন পোশাক, জুতা-স্যান্ডেল এবং পাঞ্জাবি কিনেছি। এক থেকে তিন হাজার টাকা মধ্যে বিভিন্ন ধরণের পোশাক কিনতে পেরেছি। ছয় বছরের শিশু এহসান বলে, বাবা আমাকে জুতা ও স্যান্ডেল কিনে দিয়েছেন। চাচা ও চাচীর কাছ থেকে প্যান্ট-শার্ট পেয়েছি।
নড়াইল শহরের রূপগঞ্জ বাজারের গার্মেন্টস দোকানি প্রকাশ ও চয়ন কুন্ডু জানান, তাদের দোকানগুলোতে ১০ রোজার পর থেকেই বেচাকেনা জমে উঠেছে। প্রতিদিন ভালো বিক্রি হচ্ছে। দিনের পাশাপাশি রাত ১১টা পর্যন্ত ক্রেতা আসছেন। গত কয়েক বছরের তুলনায় সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে বেচাকেনা চলছে। দোকান মালিক জান্নাতি খানম বলেন, মাসের প্রথমদিকে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা বেতন পাওয়ায় মার্চের শুরুতেই ক্রেতারা ভিড় করছেন। নতুন পোশাক কিনছেন। আশা করছি, শেষ পর্যন্ত এভাবে জমজমাট বেচাকেনা চলবে। ঈদবাজারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে। দোকানি ওবায়দুর রহমান বলেন, শীত বিদায় নিলেও স্যান্ডেলের পাশাপাশি জুতাও বেশ বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ ঈদবাজারে বেচাবিক্রির কাজ করে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন।