মিরাজুল কবীর টিটো : ইসরাইল-আমেরিকা ও ইরান যুদ্ধে দেশের জ্বালানী তেল খাতে প্রভাব পড়তে পারে। তেল বন্ধ ও দাম বাড়তে পারে এমন আশঙ্কায় যশোরের পাম্পগুলোতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে মোটরসাইকেল চালকদের। ভুক্তভোগীরা অকটেন না পেয়ে মোটরসাইকেলের জন্য পেট্রোল সংগ্রহ করে। শুক্রবার শহরের পাম্পে গিয়ে এমন চিত্র চোখে পড়ে।
সকাল ১১টায় শহরের ঢাকার রোডের মেসার্স মনিরুদ্দিন পাম্পে গিয়ে দেখা যায়- সেখানে মোটরসাইকেল পেট্রোল নিতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল। তাদেরকে পাম্পের কর্মচারী সিরিয়াল অনুযায়ী মোটরসাইকেলের ট্যাংকিতে পেট্রোল ভরে দেয়। পেট্রোল নিতে আসা রবিউল ইসলাম জানান মোটরসাইকেলের ট্যাংকীতে ১ হাজার ৫শ’ টাকার পেট্রোল ভরেছি। যদি পেট্রোলে দাম বেড়ে যায় বা সংকট সৃষ্টি হয় এই আশঙ্কায় বেশি করে কিনলাম। একই কথা বলেন রানা হামিদ ও মিজান মিয়া । তারা পেট্রোলের দাম বাড়ার আশঙ্কায় মোটরসাইকেল পেট্রোল ভরেছে বলে জানান।
পাম্পের কর্মচারী আখতারুজ্জামান বলেন- শুক্রবার ও শনিবার কোম্পানী থেকে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল দিতে আসে না। এগুলো দিতে আসে রোববার। তবে দেশে পেট্রোল বা অকটেন সংকট হবে। একটু দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। বাইরের দেশ থেকে আসে ডিজেল। যুদ্ধ চলতে থাকলে ডিজেলের সংকট হবে। দাম বাড়া বা সংকেটর আশঙ্কায় পেট্রোল কিনতে পাম্পে ভিড় হচ্ছে।
একই অবস্থা ছিল আরএন রোডের যাত্রীক পাম্পে। সেখানে মোটরসাইকেলে তেল ভরতে আসা মানুষের লাইন পড়ে যায় রাস্তা পর্যন্ত। পাম্পের কর্মচারীরা মোটরসাইকেল পেট্রোল ভরতে ব্যস্ত সময় পার করতে হয়। একই অবস্থা গাড়ি খানার তোফাজ্জল পেট্রোল পাম্পে।
পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ না পাওয়ায় উপশহর শিশু হাসপাতালের পূর্বপাশের মেসার্স প্রান্তিক পেট্রোল পাম্প বন্ধ ছিল। পাম্পের কর্মচারী নিরব জানান- কোম্পানী থেকে রোববার পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল দিয়ে যাওয়ার পর পাম্প খোলা হবে। তবে শহরের বাইরের পেট্রোল পাম্পগুলো ছিল ফাঁকা। সদরের হামিদপুরের মেসার্স সুলতান পেট্রোলিয়াম পাম্প ও ক্যান্টনমেন্ট, যশোর-মাগুরা সড়কের পাম্পগুলোতে তেমন ভিড় ছিল না।