নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে চৌধুরী কিচেন, নিউ ভৈরব হোটেল ও ঝিলিকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য পণ্য সংরক্ষণ, বিদেশী পণ্যের মোড়কে আমদানিকারকের প্রাইজ ট্যাগ না থাকা, নিষিদ্ধ এনার্জি ড্রিংক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ ও ওজনের কম দেয়া, যথাযথভাবে ভোক্তাকে ক্রয় ভাউচার না দেওয়া ও বিদেশী চিপ্পি এর প্রমাণক হিসেবে ক্রয় ভাউচার প্রদর্শন না করতে পারায় এ জরিমানা আদায় করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান সাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে সদর উপজেলার নিউ মার্কেটের চৌধুরী কিচেনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পরিদর্শনকালে চৌধুরী কিচেনের ব্যবস্থাপক সোহেল রানার মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য পণ্য সংরক্ষণ করা, বিদেশী পণ্যের মোড়কে আমদানিকারকের প্রাইজ ট্যাগ না থাকা এবং নিষিদ্ধ এনার্জি ড্রিংক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করার অপরাধ ধরা পড়ে। এ অপরাধে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৫১ ধারায় ১০ হাজার টাকা ও ৩৭ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
দড়াটানার নিউ ভৈরব হোটেলের ব্যবস্থাপক মনিরুলকে দই এর ওজনে কম দেয়ায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৬ ধারায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এইচ এম এম রোডের ঝিলিকের ব্যবস্থাপক বজলুর রহমানকে যথাযথভাবে ভোক্তাকে ক্রয় ভাউচার না দেয়া ও বিদেশী চিপ্পির প্রমাণক হিসেবে ক্রয় ভাউচার প্রদর্শন না করতে পারায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৫ ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
এছাড়া মুজিব সড়কে আড়ং-এ প্রতিশ্রুতি পণ্য ভোক্তা পর্যায়ে সঠিক ও যথাযথভাবে সরবরাহের নির্দশনা প্রদান করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান, নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা কিশোর কুমার সাহা প্রমুখ।