কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুর উপজেলায় বোরোধান মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। নতুন ধান বাজারে উঠেছে। বাজারে ধানের মূল্য নিয়ে কৃষক খুব হতাশ হয়ে উঠেছে। ১৪৪০ টাকা মন দরে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহ করবে মাত্র ১৪৫১ মেট্রিক টন। সরকারি মূল্য অনুযায়ী উপজেলায় বোরোধান মৌসুমে ৩২৭ কোটি টাকার বোরোধান উৎপাদন হয়েছে।
কেশবপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে- চলতি বোরো ধানের মৌসুমে ধান চাষের লক্ষ্য মাত্র ছিলো ১৩ হাজার হেক্টর জমি। আবাদ হয়েছে ১৩ হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমিতে। চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যে ধান পেকে গেছে। কৃষক পাকাধান সংগ্রহ শুরু করেছে। বাজারে নতুন ধান বিক্রি শুরু হয়েছে। কিন্তু নতুন ধানের বাজ মূল্যে কৃষক খুব হতাশ হয়ে উঠেছে। বর্তমান বাজার মূল্যে ধান বিক্রি করে কৃষকের উৎপাদন খরচ ঘরে আসছে না। মেঘলা আকাশ ঝড় বৃষ্টির কারণে কৃষক শ্রমিক সংকটে ভুগছে। দুই মন ধান বিক্রির টাকায় একজন শ্রমিকের মজুরি পাওয়া যাচ্ছেনা। এক মন ধান বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকা থেকে ৯২০ টাকা। আর একজন শ্রমিকের মূল্য ১ হাজার ৮শ’ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা।
সুত্র আরো জানিয়েছেন কেশবপুরে বোরো ধানের উৎপাদন হয়েছে ৯০ হাজার ৭২৫ মেঃ টন। যার সরকারি বাজার মূল্য ৩২৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা। অথচ সরকারি খাদ্য গুদামে ১৪৪০ টাকা মন দরে সরকার উপজেলা খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় করবে ১৪৫১ মেট্রিকটন। সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি শুরু হবে আগামী ৩ মে থেকে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত ধান ক্রয় করবে। একজন কৃষক ৩ মেট্রিক টনের বেশি ধান বিক্রি করতে পারবে না। আগ্রহী থাকলে এ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। উপজেলার খাদ্য গুদামে সরকারি ভাবে ধান ক্রয়ের লক্ষ্য মাত্রা বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন কেশবপুর উপজেলার কৃষকসমাজ।