Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ঈদ বাজার

নারীদের পছন্দের শীর্ষে জামদানি মোটিভের শাড়ি

এখন সময়: শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬, ০৬:৫৩:৪০ এম

মারুফ কবীর : বাংলার নারী যে পোশাকই পরুক না কেনো চিরাচরিত শাড়িতেই সম্পূর্ণা নারী। উৎসবের সাজে শাড়িতেই বাংলার নারী হয়ে ওঠে অনন্যা। ১২ মাসে ১৩ পার্বনের দেশে তাই তো আধুনিক পোশাকের সমারোহেও শাড়ির আবেদন একচুলও কমেনি নারীর কাছে। ঈদুল ফিতর শেষে কিছুদিন পরে পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ আর ঈদ-উল-ফিতর এ দুই উৎসব উপলক্ষে এ বছর শাড়ির চাহিদা বেড়েছে। ঈদ কালেকশনের সাথে বৈশাখের আদলের শাড়িও এসেছে বাজারে। ব্যবসায়ীরা জানান,এবারের ঈদে নারীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে জামদানি মোটিভের শাড়ি। সিল্ক জামদানি, জরি জামদানি, হ্যান্ড প্রিন্ট মসলিন, মসলিন, অরগেঞ্জা ও সিল্ক শাড়ি। মূলত অরিজিন জামদানি শাড়ির চাহিদা থাকলেও বেশি দামের কারনে সকলে কিনতে পারেন না। ঈদকে সামনে রেখে দামের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বাজারে এসছে জামদানি মোটিভেট শাড়ি। এগুলো বাজারে মিলবে-জামদানি মোটিভের শাড়ি ও সিল্ক জামদানী ২ থেকে ৫ হাজার, জরি জামদানী ১৫শ’ থেকে ২৫শ’। ব্যবসায়ীরা আরও জানিয়েছেন, ১৫ রমজানের পর থেকে শাড়ি বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। চাঁদ রাত পর্যন্ত চলবে শাড়ির বেচাবিক্রি। প্রচলিত শাড়ির পাশাপাশি,শাড়ি পরতে অভ্যস্ত না তাদের জন্য বাজারে এসেছে রেডি টু ওয়্যার শাড়ি।
কাপুড়িয়াপট্টির শাড়ি বিক্রেতা পাঁড় আঁচলের প্রোপাইটর মোস্তাফিজুর রহমান মুস্তা বলেন, গত বছর জিমি চু শাড়ির চাহিদা থাকলেও এবারের ঈদে জামদানি মোটিভের শাড়ির চাহিদা বেশি।
ক্রেতা রহিমা আখতার বলেন, অন্যানো পোশাকের পাশাপাশি শাড়ি না কিনলে ঈদের শপিং অসম্পূর্ণ মনে হয়। একারণে শাড়ি কিনতে এসেছি।
সিটি প্লাজার অধরা শোরুমের সত্ত্বাধিকারী ইব্রাহিম হোসেন বলেন,এবারের ঈদে সুতি ও হালকা ধরনের শাড়ির বিক্রি বেশি। মুজিব সড়কের ফ্যাশন হাউজ সুতোয় বোনা’র স্বত্বাধিকারী সোলায়মান হোসেন নয়ন বলেন, বেচাকেনা মোটামুটি ভালো।
যশোর শাড়ি কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি তন্ময় সাহা বলেন, শহরের পাশাপাশি জেলার অন্যানো উপজেলা কাস্টমার বাজরে আসছেন। এমনকি পাশ্ববর্তী জেলার ক্রেতারাও যশোরে আসেন কেনাকাটা করতে। একারনে আসন্ন ঈদকে ঘিরে শাড়ির বিক্রি ভালো হচ্ছে। বেচাকেনা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। বাজারে সাড়ে ৫শ’ থেকে ২২ হাজার টাকার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। প্রিন্টের এবং টাঙ্গাইলের শাড়ি ৫শ’ টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা।
যশোরের শাড়ির দোকানগুলোতে ঈদ উপলক্ষে আরও পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ডিজাইনের ক্যাটালকের শাড়ি, ড্রিম গার্ল সিল্ক, এমব্রোডারি, ব্লক, হাতের কাজ, প্রিন্ট, সিঁড়ি কাতান, কোহিনূর সিল্ক, রাজশাহীর মেগা সিল্ক, ও কারচুপির কারুকাজ করা শাড়ি। হ্যান্ড পেইন্ট শাড়ি (সুতি) ১৫ শ’ থেকে ৩ হাজার (মসলিন) ৩ থেকে ৬ হাজার, বাটিক (দেশি-সুতি) ৮শ’ থেকে ১৫শ’, রাজশাহী সিল্ক দেড় থেকে ৬ হাজার, পিয়র সিল্ক ২হাজার থেকে ১০ হাজার, হাফ সিল্ক ১ থেকে ৫ হাজার, মিরপুরীর কাতান আড়াই হাজার থেকে ৩০ হাজার, ঢাকাই জামদানি ৬ থেকে ২২ হাজার টাক, ক্যাটালকের শাড়ি ১৫শ’ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা , টাঙ্গাইল তাঁত ৫শ’ থেকে ১২ হাজার , টাঙ্গাইল সুতি ৫শ’ থেকে ১২ হাজার টাকা , জিমি চু শাড়িটি পাওয়া যাচ্ছে ৩ থেকে ১২ হাজার টাকায়। দেশি শাড়ির পাশাপাশি ভারতীয় তানাবানা শাড়িটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ৪ থেকে সাড়ে ৯ হাজার টাকায়।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)