নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা ও সম্মান রক্ষায় থানায় জিডি করেছেন ডিবি পুলিশের সাবেক উপপরিদর্শক মফিজুল ইসলামের স্ত্রী আবিদ আরা পারভীন। গত মঙ্গলবার রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে এই জিডি করেন। তিনি বর্তমানে যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
অভিযুক্তরা হলেন, নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার রামশারা কাজীপুর গ্রামের মৃত নাদের আলী শাহ’র ছেলে আজিজুর রহমান রতন (৪৮) ও যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার ক্ষণিকনিলয় বিল্ডিংয়ের নিচতলায় বাসিন্দা মামুন কোচিং সেন্টারের মাস্টার মনু মিয়ার ছেলে মোঃ মাহমুদ ইসলাম মামুন (৩৬)।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, আবিদ আরা পারভীনের স্বামী মফিজুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক । তিনি ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত যশোর জেলায় সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টারে কর্মরত আছেন। তার স্বামীকে নিয়ে আজিজুর রহমান রতন ও মাহমুদুল হাসান পরিকল্পিতভাবে তাদের পরিবারকে সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা করছেন। পরিবারের সদস্যদের ক্ষতির পরিকল্পনা করছেন।
লিখিত অভিযোগে আবিদ আরা পারভীন আরও উল্লেখ করেন, তার স্বামী মফিজুল ইসলাম ২০১৭ সালে নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশে কর্মরত ছিলেন। আসামি আজিজুর রহমান রতন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার একটি মামলার আসামি ছিলেন। সেই মামলায় তাকে ২০১৭ সালের ২২ ডিসেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে রতনকে একটি পিস্তলসহ আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলা হয়। এই মামলায় বর্তমানে সে পলাতক আসামি। পলাতক থেকেই আজিজুর রহমান রতন তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেজ থেকে তার স্বামীকে উদ্দেশ্য করে নানা আজেবাজে কথা বলছে এবং দেখে নেয়ার হুমকি দিচ্ছেন। মিথ্যা বানোয়াট অসত্য তথ্য দিয়ে মনগড়া কথা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন রতন। অপর অভিযুক্ত মামুন তার পরিবারের সদস্যদের গতিবিধি লক্ষ্য করছে। গত ৬ মার্চ রতন যশোরে আসে এবং মামুনকে সাথে নিয়ে অপরিচিত সন্ত্রাসীদের নিয়ে গোপন বৈঠক করে।
আবিদ আরা পারভীন অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, তার স্বামী বর্তমানে ঢাকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত আছেন। মেয়ের পরীক্ষার কারণে তিনি যশোরে বাড়ি ভাড়া করে থাকেন। আসামিরা একত্রিত হয়ে তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। এ কারণে নিরাপত্তা চেয়ে তিনি থানায় এ জিডি করেছেন।