Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত

বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী অমিতের

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ , ২০২৬, ১১:৩৫:২৮ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। এদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধাসরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। শনিবার সকাল ৮টায় ও ৯টায় যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ আদায় করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। নামাজের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন- যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক সংকট চলছে। সংকট মোকাবেলায় সরকার কাজ করছে। এজন্য জনগণের সহযোগিতা জরুরি। সংকট মোকাবেলায় জনগণকে মিতব্যায়ী হতে হবে। কারণ যুদ্ধ থেমে গেলেও যুদ্ধে ক্ষত বিশ্বব্যাপী ফুটে উঠবে। সারা বিশ্বের মানুষের সংকট মোকাবেলার প্রস্তুতি রয়েছে। আমাদের সরকারও প্রস্তুতি নিচ্ছে। জনগণ হিসেবে আমাদেরও প্রস্তুত থাকতে হবে। ঈদের প্রধান জামাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ছাড়াও জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক রফিকুল হাসান, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, লোক সমাজের প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিতসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে নামাজিরা ঈদের শুভেচ্ছাবিনিময় করেন। এছাড়াও জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু নুতন উপশহর ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায় করেন। সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক গোলাম রসুল, গাজী এনামুল হক ও অধ্যাপক মুক্তার আলী নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায় করেন এবং দলীয় নেতা করুনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক সামাজিক নেতৃবৃন্দের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। যশোর জেলা জুড়ে ছোট বড় প্রায় এক হাজার ঈদগাহে জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৯৩ টি স্থানে বৃহৎ পরিসরে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে ৯ টার মধ্যে ঈদের নামাজ সম্পন্ন হয়। শহরে উল্লেখযোগ্য ঈদ জামাতের মধ্যে ছিল জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতি কেন্দ্র, পুলিশ লাইন জামে মসজিদ, কারবালা জামে মসজিদ, ওয়াপদা কলোনি জামে মসজিদ, বাইতুল মামুন জামে মসজিদ, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার জামে মসজিদ, বেজপাড়া আজিমাবাদ জামে মসজিদ, আমিনিয়া আলিয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদ ইত্যাদি। আগের দিন রাতে বর্ষায় ময়দান নামাজের অনুপোযুক্ত থাকায় অধিকাংশ স্থানে মসজিদের ভিতরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ জামাত। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, হাসপাতালে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)