নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর শহরের দড়াটানার ভৈরব নদের পাড় দখল করে জেলা প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে অবৈধভাবে তৈরী ঘর নিয়ে গেছে দখলদাররা। ভেঙে ফেলা হয়েছে সিঁড়ি। বুধবার দুপুরে ১০/১২ জন লেবার ও চক্রের সদস্যরা ভৈরবপাড়ের সেসব অবৈধ স্থাপনার সরঞ্জাম নিয়ে চলে যায়। ভৈরবপাড় অবৈধ দখলদার মাহবুব ইসলাম ও সহযোগী সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মিলনকে এসময় কেউ দেখেনি।
জানা গেছে, এ চক্রের অন্যতম সদস্য মিলন নামের ওই যুবকের নেতৃত্বে ঈদের ছুটির মাঝে ভৈরবপাড় দখল করে ঘর ও সিঁড়ি নির্মাণ করা হয়। বিষয়টি জানাজানির পর স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়েন নির্মাতারা। এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর বন্ধ হয়ে যায় অবৈধ কার্যক্রম। পরে বিষয়টি নজরে আসে জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের। এরমাঝে বুধবার অবৈধ দখলদাররা নিজেরাই তাদের সরঞ্জাম খুলে নিয়ে যায় এবং ভেঙে ফেলে সেই সিঁড়ি।
যশোর শহরতলীর শেখহাটির ‘বিসমিল্লাহ মধু ট্রেডিং’-এর মালিক মাহাবুব ইসলাম মধু নামে একজন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে নদের কুচুরিপনা পরিষ্কার ও স্পিডবোর্ড চালানোর অনুমতি নেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা এ কাজ করে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসায় প্রতিবাদের কারণে তারা তদের ঘর সরিয়ে নেন এবং সিঁড়ি ভেঙে ফেলেছে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, অবৈধভাবে দখলের কোনো সুযোগ নেই। জানতে পেরেছি বুধবারই তারা অবৈধ স্থাপনা অপসরণ করে নিয়েছে। একই সাথে তাদের কোনো অনুমোদন ছিলো না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।