Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

চৈত্রের ভোরে শীতের কুয়াশা!

এখন সময়: শনিবার, ১১ এপ্রিল , ২০২৬, ০৩:৪০:৩৯ পিএম

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা : খরতাপের মৌসুম চৈত্র মাস। ভোর শুরু হওয়ার কথা সূর্যের ঝলমলে আলোয়। কিন্তু ১০ এপ্রিল শুক্রবার ভোরে ভিন্ন চিত্র দেখা গেল খুলনার পাইকগাছাসহ উপকূলীয়ঞ্চলে। ঘনকুয়াশায় ঢেকে ছিল প্রকৃতি। কনকনে শীত ছাড়াই কুয়াশা দেখে অবাক উপকূলবাসী। চৈত্র মাসের খরতাপের পরিবর্তে শীতের কুয়াশা দেখা যাওয়া প্রকৃতির এক বিচিত্র ও অস্বাভাবিক রূপ। সাধারণত এই সময়ে কাঠফাটা রোদে জনজীবন অতিষ্ঠ হওয়ার কথা থাকলেও, দেশের উপকূলীয়ঞ্চলে বিশেষ করে খুলনা সাতক্ষীরা জেলায় চৈত্রেও ঘন কুয়াশার দেখা মিলেছে। চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল, বিশেষ করে পঞ্চগড় ও আশপাশের এলাকায় অস্বাভাবিকভাবে ঘন কুয়াশা ও মৃদু শীতের আমেজ লক্ষ্য করা যায় তবে উপকূলে এমন পরিবেশ বিরল। সাধারণত এই সময়ে কাঠফাটা রোদ থাকার কথা থাকলেও, বাষ্পীয় কুয়াশায় ভোরবেলা প্রকৃতি আচ্ছন্ন ছিলো। এই অকাল কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি যা স্থানীয়দের কাছে বিরল। সকালবেলা রাস্তাঘাট, ফসলের মাঠ ও গাছপালা সাদা কুয়াশার আস্তরণে ঢেকে যাচ্ছে। ভোরে ঘন কুয়াশার কারণে সূর্য দেরিতে দেখা যাচ্ছে। ভোরে সড়কে যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। কয়েক দিনের বৃস্টির পর এ অবস্থা বিরাজ করছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া এবং জলীয় বাষ্প দ্রুত ঘনীভূত হওয়ার ফলে এই ধরনের বাষ্পীয় কুয়াশা তৈরি হয়। প্রকৃতির এই খামখেয়ালি আচরণ বা ঋতু পরিবর্তনের অস্বাভাবিকতাকে অনেকেই জলবায়ু পরিবর্তনের একটি বড় লক্ষণ হিসেবে দেখছেন। চৈত্রের এই কুয়াশা আম ও লিচুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ এটি ছত্রাকজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অস্বাভাবিক এই আবহাওয়ায় জনজীবন ও কৃষিতে প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে বোরো ধানের ফসলের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। চৈত্রের এই অকাল কুয়াশা ও শিশির পাতের ফলে বোরো ধানসহ রবি শস্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)