চৌগাছা প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের হাট ৪ লাখ টাকায় ইজারা দর উঠেছে। ইজারা নিতে ৭ জন শিডিউল জমা দেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৮ হাজার ২শ’ ৫০ টাকার শিডিউল জমা দিয়ে এগিয়ে আছেন রাজাপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, হাটটির ইজার দেওয়ার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদ টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। গত রোববার (১২ এপ্রিল) ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে টেন্ডার খোলা হয়। টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী ৭ জনের মধ্যে রাজাপুর গ্রামের মৃত কওসার আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী সর্বোচ্চ মূল্যের দরপত্র জমাদেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একই গ্রামের মৃত রওসন আলীর ছেলে মহিউদ্দীন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার দরপত্র জমা দেন। হাটটি গত বছরের ইজারা মুল্য ছিল ২২ হাজার টাকা। বছরে নিয়ম অনুযায়ী, সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ইদ্রিস আলী হাটটির ইজারা পাওয়ার কথা রয়েছে। হাট ইজারা শিডিউল জমা দেয়ার সময় একোজোনও জামানতের টাকা জমা দেননি। এদিকে একটি সূত্র দাবি করেছে, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হবিবর রহমান হবি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় ইজারা নেওয়ার জন্য সমঝোতার চেষ্টা করছেন। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন চেয়ারম্যান। ইজারা গ্রহনকারি ইদ্রিস আলী বলেন, আমি একসপ্তাহ সময় নিয়েছি। এব্যাপারে চেয়ারম্যানের সাথে কথা হয়েছে। পরে একটা সমজোতা করে নেব। ইউপি চেয়ারম্যান হবিবর রহমান বলেন- “রাজাপুর হাটের জন্য ইদ্রিস আলী সর্বোচ্চ দর দিয়েছেন। হাটের শিডিউল নিয়ে কোনো ধরনের সমঝোতার কথা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী তিনিই ইজারা পাবেন। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে টাকা জমা দিয়ে হাট বুঝে নেবেন তিনি।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন- “হাটটি ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন। ইজারা থেকে প্রাপ্ত অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব খাতে জমা হবে। এখানে কোনো ধরনের সমঝোতার সুযোগ নেই।” স্থানীয়দের মধ্যে এ হাটকে কেন্দ্র করে ব্যাপক কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।