Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒# ইমামসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা

মণিরামপুরে নেশাখোরের স্বীকারোক্তিতে চুরি হওয়া মসজিদের মাইকসেট উদ্ধার

এখন সময়: সোমবার, ১৩ এপ্রিল , ২০২৬, ০৩:০২:৩৯ এম

মণিরামপুর প্রতিনিধি : যশোরের মণিরামপুরে আটক নেশাখোর যুবকের স্বীকারোক্তিতে মহাতাপনগর জামে মসজিদের চুরি হওয়া মাইক সেট উদ্ধারকে কেন্দ্র করে মসজিদের ইমামসহ ১০জনের বিরুদ্ধে ১০লাখ টাকা চাঁদাদাবির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করা হয়েছে। আটক নেশাখোর যুবক ওসমানের পিতা আবু সিদ্দিক বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার যশোরের জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত বিষয়টির তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ দিকে মসজিদের ইমামসহ গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের মহাতাপনগর গ্রামের দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের মাইকসেটটি চুরি হয় ৫ এপ্রিল সকালে। বিষয়টি জানাজানি হবার পর চোর ধরার জন্য মুসল্লিরা ঐক্যমত পোষণ করেন। মসজিদের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক আবদুস সাত্তার জানান, ৬এপ্রিল সন্ধ্যায় ইমাম হাফেজ আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে গ্রামের রায়হানের চায়ের দোকানের সামনে সকলকে (পুরুষ) পড়া চাল খাওয়ানো হয়। কিন্তু আবু সিদ্দিক ও তার নেশাখোর ছেলে ওসমান চাল খেতে আসেনি। ফলে গ্রামবাসীর সন্দেহের তীর যায় সিদ্দিক ও তার ছেলের দিকে। ইমাম আমিনুর রহমান জানান, ওই রাতেই গ্রামের লোকজন সিদ্দিকের মৎস্যঘের থেকে তার ছেলে ওসমানকে ধরে আনেন। এক পর্যায়ে ওসমান মাইকসেট চুরির স্বীকারোক্তি দেয় (যার ভিডিও চিত্র সংরক্ষিত)। ফলে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক লোকজন মসজিদের সিঁড়ির নিচ থেকে বস্তায় ভরা মাইকসেটটি উদ্ধার করে। পিতা আবু সিদ্দিক স্বীকার করেন তার ছেলে ওসমান একজন নেশাখোর। তবে আবু সিদ্দিক অভিযোগ করেন, গ্রামের লোকজন মারপিট করে তার ছেলের কাছ থেকে মাইকসেট চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করেন। মসজিদ কমিটির সভাপতি আবদুস সাত্তার, ব্যবসায়ী শাহিনুর রহমানসহ গ্রামের অধিকাংশ লোকজন এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওসমানের পিতা আবু সিদ্দিক বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার যশোর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ইমাম আমিনুর রহমান, ব্যবসায়ী শাহিনুর রহমান, মাহাবুবুর রহমান, বায়েজিদ, আব্দুল্লাহ, মাজহারুল, মনিরুজ্জামানসহ গ্রামের ১০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১০লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয় ইমাম আমিনুরের নেতৃত্বে আসামিরা ৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মামলার বাদী আবু সিদ্দিকের বাড়িতে গিয়ে তার নিকট ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তবে মামলার বাদি আবু সিদ্দিক চাঁদা দাবির বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আসামিরা আমার ছেলেকে ধরে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করেন। তাই আমি মামলা করেছি। এ ব্যাপারে মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রজিউল্লাহ খান জানান, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)