Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতাকে কুপিয়ে জখমের নিন্দা মহাসচিবের

এখন সময়: শুক্রবার, ১৫ মে , ২০২৬, ০২:৫১:৪৫ পিএম

ফরহাদ খান ও মাহফুজুল ইসলাম মুন্ন, নড়াইল: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (খেজুর গাছ প্রতীক) নড়াইল জেলা শাখার যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলামকে (৫০) কুপিয়ে গুরুতর জখমের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। শনিবার দলের ফেসবুক আইডিতে দেয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন-অবিলম্বে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জনগণের ভোটে নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোটাকোল ইউনিয়নে জমিয়ত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী তিনি। এ বর্বরোচিত হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রশাসনের দায়িত্ব। এদিকে, সিরাজুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বর্তমানে তার অস্ত্রোপচার করা হচ্ছে শ্যামলী এলাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। তার দুই হাত ও পা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (৯ মে) বিকেল পর্যন্ত মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান। তিনি আরও জানান, ওইদিন বিকেল (শনিবার) পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি। এর আগে শুক্রবার (৮ মে) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কোটাকোল ইউনিয়নের রায়পাশ গ্রামে সিরাজুলকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। সিরাজুল ওই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। আহত সিরাজুলের পরিবার ও স্বজনরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় লোহাগড়া বাজার থেকে সঙ্গী আকিদুল ইসলামকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি (সিরাজুল)। পথে রায়পাশা গ্রামের বালুর চাতালের কাছে পৌঁছালে ওঁৎ পেতে থাকা ৫ থেকে ৬জন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। এ সময় দুর্বৃত্তরা সিরাজুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। হামলার সময় তার সঙ্গী আকিদুল দৌঁড়ে স্থানীয়দের খবর দেন। সেখান থেকে স্থানীয় লোকজন সিরাজুলকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজুলকে রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়। কী কারণে, কে বা কারা এ হামলা চালিয়েছে; তা পুলিশ ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রাথমিকভাবে জানাতে পারেননি। তবে মাওলানা সিরাজুল ইসলামের পরিবারসহ নেতাকর্মীরা জানান, তিনি পরপর চারবার কোটাকোল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে তাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ষোষণা দেয়া হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ ক্ষুব্ধ হয়ে তার ওপর হামলা চালাতে পারে বলে ধারণা তাদের। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, সিরাজুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় শনিবার বিকেল পর্যন্ত মামলা হয়নি। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)