Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

রবীন্দ্র ও নজরুলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যশোর জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান

এখন সময়: সোমবার, ১৫ জুন , ২০২৬, ১০:৫৫:৪৯ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তী‘ অনুষ্ঠান যশোরের জেলা শিল্পকলা একাডেমীর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন আয়োজিত সোমবার সন্ধ্যায় এই অনুষ্ঠানে ছিল দুই দিকপাল সম্পর্কে আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার প্রদান। আলোচনা অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুন্সী আবু সাইফ। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক রফিকুল হাসান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব, শহিদ মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কথা সাহিত্যিক পাভেল চৌধুরী, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, তির্যক যশোরের সাধারণ সম্পাদক দীপংকর দাস রতন প্রমুখ। অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস। এ সময় আলোচকরা বলেন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি ছিলেন কবি, সাহিত্যিক, সুরকার, নাট্যকার ও দার্শনিক। তার কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলির জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা ছিল এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘ আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি ‘ তাঁরই রচনা। অন্যদিকে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবতার কবি। তিনি অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন। তার বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী তাঁকে ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়। প্রেম, মানবতা, দেশ প্রেম ও ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তা তাঁর সাহিত্যে ও সংগীতে বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবেই স্বীকৃত। বাংলাদেশের রণ সংগীত ‘ চল চল চল’ কবি নজরুলের রচনা। আলোচকরা বলেন বাংলা সাহিত্যের দুই বিস্ময়কর প্রতিভা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। সাহিত্যের সীমা ছাপিয়ে বাঙালির চিন্তায়, মননে, এককথায় সমগ্র সৃজনশীল সত্তা জুড়ে সদর্প অবস্থান এই দুই মহীরূহের। আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১ ঘন্টার এই অনুষ্ঠানে শিল্পকলা একাডেমি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী শিল্পীরা পরিবেশন সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত কন্ঠে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্র সংগীত ‘ওরে ওরে ওরে আমার মন মেতেছে.. এবং নজরুল সংগীত ‘মনের রং লেগেছে..। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘আত্মত্রাণ’ ও কাজী নজরুল ইসলামের ‘রণসংগীত’ সমবেত কন্ঠে আবৃত্তি এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংগীত ‘ আগুনের পরশমনি.. এবং কাজী নজরুল ইসলামের কারার ঐ লৌহ কপাট.. এর সাথে দুটি দলীয় নৃত্য সহ একক কন্ঠে সঙ্গীত সকলকে মুগ্ধ করে। সব শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। জেলা বিএনপির নেতা গোলাম রেজা দুলুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য কবিদ্বয় এর জন্মবার্ষিকী স্মরণে জেলা শিশু একাডেমী আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)