নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর সদর চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামে ১৪৪ ধারা অমান্য করে মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হকের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সামছুল হকের অভিযোগ, দখলদারিত্ব বজায় রাখতে রাতারাতি ওই জমিতে টিনের খুপড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য তাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক জানান, সাজিয়ালী মৌজার ২৪৭ দাগে ৩৪ শতক জমির মধ্যে আমার ২৯ শতক ও শ্যামনগর গ্রামের শহর আলীর নামে বাকি ৫ শতক রয়েছে। আামর ২৯ শতক জমিতে বেড়া দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো আছে। এরই মধ্যে শহর আলীর ৪.৮০ জমি সোবহানের ছেলে প্রবাসী মানিক হোসেনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। জমি কেনার পর থেকে মানিক প্রভাব খাটিয়ে ক্রয়কৃত জমির সাথে আমার জমির একাংশ দখলের চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। এই ঘটনায় মামলা করলে জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করে আদালত। সামছুল হকের অভিযোগ, মানিক বিদেশ থেকে বাড়ি ফিরে জমি দখলে রাখতে মরিয়া হয়ে ওঠে। গত ১৯ জুন ১৪৪ ধারা অমান্য করে মানিকের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হাফিজুর রহমান হাফি, ইবাদত,মকবুল, আলিম, লাল চান, সহিদুল ইসলাম, শাহাজান আলীকে সাথে নিয়ে জমি দখল করে নিয়েছে। রাতারাতি সেখানে টিনের খুপড়ি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সামছুল হক জানান, দখলদার মানিক হাতের নকশায় পাশ উল্লেখ করে প্রভাব খাটিয়ে আমার জমি দখল করে নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাকে বাড়াবাড়ি না করার জন্য হুমকিÑধামকি দেয়া হচ্ছে। ফলে পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীতায় ভুগছি। এ বিষয়ে মানিক হোসেন জানান, শহর আলীর কাছ থেকে জমি ক্রয় করার পর পাশ উল্লেখ করে দলিল করা হয়েছে। দলিল অনুযায়ী জমিতে ফেলার পর ঘর নির্মাণ করেছি। ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হকের জমি দখলের অভিযোগ সঠিক নয়। চুড়ামনকাটির সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রউফ জানান, ওই জমিতে ১৪৪ ধারা জারির কাগজপত্র এএসআই নিয়ামুলের কাছে রয়েছে। উভয়পক্ষকে শান্তি বজায় রাখার জন্য বলা হয়েছে। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জমিতে খুপড়ি ঘর নির্মাণ হয়েছে বলে শুনেছি। এই বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।