নিজস্ব প্রতিবেদক : জাল সনদে চাকরির অভিযোগে করা মামলায় আত্মসমর্পণকারী সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। একই সাথে ইয়ে মামলার অপর তিন আসামি বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোনা জারির আদেশ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন। আসামি ইদ্রিস আলী ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে ও শার্শা উপজেলার চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিপিএড)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী রুহিন বালুজ। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর সহযোগিতায় তারা সহকারী শিক্ষক পদে চাকরিতে যোগদান করেন। কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন এবং ২০১৫ সালে মামলা করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর বাদী পুনরায় মামলাটি সচল করেন। তদন্ত শেষে সিআইডি পুলিশ যশোরের এসআই বখতিয়ার রহমান ওই তিন শিক্ষকের সনদপত্র জাল ও সাবেক চেয়ারম্যানের সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়ায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনের উপর শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের প্রতি সমন জারির আদেশ দিয়ে ছিলেন। আসামিরা হলেন, চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন, সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলী এবং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু। বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য দিনে ইদ্রিস আলী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক জামিন আবেদনের শুনানি শেষে নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দিয়েছেন।