নিজস্ব প্রতিবেদক: জালিয়াতি করে মনিরামপুরের জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তিন কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকসহ চারজনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতের মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোহাম্মদ মুনছুরুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমিন অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআই কে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। আসামিরা হলো জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমানত আলী, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকার এবং বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পবিত্র কুমার দত্ত। মামলার অভিযোগে জানা গেছে , জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির মেয়াদ শেষ হয় ২০২১ সালে। এরপর আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে ভুয়া কমিটি তৈরি করেন এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসহ অন্যান্য সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে অফিস সহায়ক, আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী পদে অবৈধভাবে নিয়োগ দেন। এসব নিয়োগের বিপরীতে আসামিরা মোট ৪২ লাখ টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেন। নিয়োগপ্রাপ্ত তিন জস এখন পর্যন্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করেননি এবং কোনো বেতনও উত্তোলন করেননি। চলতি বছরের ৮ জুন বিষয়টি জানতে পেরে বাদী ও অন্যান্য সদস্যরা আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করে ‘পারলে যা করার করে নিন’ বলে চলে যান। বিষয়টি মীমাংসায় ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে মামলা করেছেন।