উৎপল বিশ্বাস, নেহালপুর : মণিরামপুরে ক্রয়কৃত সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে জমি জবরদখল করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কর্তন করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। রোববার থেকে সোমবার পর্যন্ত এ দখলের ও গাছ কর্তনের ঘটনাটি ঘটে উপজেলার নেহালপুর বাজারের উত্তরের মোড়ল পাড়ায়। এ ঘটনায় জমির মালিক আরজান দফাদার গং প্রতিপক্ষের ৭ জনের নামে থানায় অভিযোগ করেছেন। ক্রয় সুত্রে মালিক আরজান দফাদার তার লিখিত অভিযোগে দাবী করেন, রোববার জমি দখল করে সোমবার পর্যন্ত এসব গাছগুলো কেটে নেয় একই গ্রামের পতিবেশী রফিক গাজী, রুবেল, রশিদ গাজী, সোহেল গাজীসহ তাদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন। তার দাবী, পাকিস্থান আমলে প্রতিবেশী মৃত-ইসমাইল গাজীর কাছ থেকে বারিক ভেন্ডার ১৩ শতক জমি ক্রয় করে। এরপর ওই জমি বারিক ভেন্ডারের কাছ থেকে ৭৫ সালে আরজান গাজী ও তার ভাইরা সামছুর রহমান ক্রয় করেন। একই ভাবে প্রতিবেশী মৃত-ফুলজান বেগমের কাছে থেকে তার শাশুড়ি মৃত নুর জাহান বেগমের নামে ২৫ শতক জমি ক্রয় করা হয়। নেহালপুর মৌজায় এই ৩৮শতক জমি ক্রয় সুত্রে রের্কডীয় মালিক হয়ে ভোগ দখল করে আসছিল। ওই জমিতে তারা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করেন। এরপর মৃত ইসমাইলের ওয়ারেশগণ ওই জমি নিজেদের দাবি করে ২০০৯ সালে ক্রেতা মালিক ওয়ারেশদের বিবাদী করে যশোর দেওয়ানী আদালতে মামলা করে ছিলেন। আদালত মামলাটি বিচারে বাদীর অনুকুলে আদেশ দিলে বিবাদীগণ উচ্চ আদালতে আপিল করেন। তিনি আরও দাবি করেন, এ অবস্থায় গত ৬ জুলাই সকালে প্রতিপক্ষরা অবৈধভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই জমিতে অনাধিকারভাবে প্রবেশ করে দখলে নেয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় দুই লাখ টাকার গাছ কেটে নেয়। এতে বাধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষ বিবাদীরা মারপিট করতে উদ্যত হওয়াসহ খুন জখমের ভয় দেখায়। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রুবেল হোসেন গংদের দাবি জমিটি আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি তারপরেও আদালত থেকে আমরা রায় পেয়েছি সে মোতাবেক জমিটি দখলে নিয়ে গাছ কর্তন করেছি। মণিরামপুর থানার ওসি আবু সাঈদ এ বিষয়ে জানান, অভিযোগটি তদন্ত করতে নেহালপুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জকে বলা হয়েছে, তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।