নিজস্ব প্রতিবেদক: ভুয়া নিয়োগপত্র ও এমপিওভুক্ত করে দেওয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বি.আর.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোর সদর উপজেলার ডহরসিংগা গ্রামের আজাদুর রহমান প্রিন্স বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগের তদন্ত করে সিআইডি পুলিশকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। আসামি শহিদুল ইসলাম একই উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ মোল্লার ছেলে। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৫ সালে বি.আর.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে প্রিন্স সহকারী শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান) পদে আবেদন করেন। পরে বিদ্যালয়ের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রের মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রিন্স নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। ২০২২ সালে বিদ্যালয় এমপিওভুক্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে জানিয়ে প্রধান শিক্ষক খরচ বাবদ ১০ লাখ টাকা দাবি করেন প্রিন্সের কাছে। চাকরির আশায় ওই বছরের ১৯ জুলাই তিনি প্রধান শিক্ষককে নগদ ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা দেন। ২০২৩ সালে বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত হলেও প্রিন্সের নাম এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। প্রিন্স পরে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন প্রধান শিক্ষক তাকে একটি ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে স্কুলে যোগদান করিয়াছিলেন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত চাইলে প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন সময় আশ্বাস দিলেও টাকা ফেরত দেননি। একপর্যায়ে প্রিন্স আইনজীবীর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষককে লিগ্যাল নোটিশ দেন। এরপরও টাকা পরিশোধ না করায় গত ১০ জুলাই যশোর শহরের মণিহার সিনেমা হলের পূর্ব পাশের একটি চায়ের দোকানের সামনে প্রধান শিক্ষকের সাথে দেখা হলে টাকা চাইলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ভয়ভীতি দেখান। টাকা আদায়ের ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।