Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒যশোর পুলিশ সুপারের খেলা দেখার স্থান পরিদর্শন

আক্ষেপ ঘুচিয়ে মাসব্যাপী ফুটবল প্রেমীদের বড় পর্দায় খেলা দেখালো ‘রিপন অটোস’

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই , ২০২৬, ১১:৩৪:০৮ এম

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বমঞ্চে ফুটবল নিয়ে যখন টানটান উত্তেজনা, তখন মাঠের সেই উন্মাদনা ছুঁয়ে গেছে দেশের প্রতিটি প্রান্তর। এর ব্যতিক্রম ছিল না দেশের প্রাচীন জেলা শহর যশোর। তবে প্রিয় দলের খেলা বড় পর্দায় দেখার তীব্র আকুতি থাকলেও, শুরুতে তেমন কোনো আয়োজন না থাকায় এক ধরণের আক্ষেপ ভর করেছিল ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। কিন্তু যশোরবাসীর সেই আক্ষেপ দীর্ঘ হয়নি। মাসব্যাপী জায়ান্ট স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপ দেখানোর জমকালো আয়োজন করেছিলেন আর এন রোড ক্রীড়া চক্র। যার সার্বিক সহযোগিতা করে দেশের শীর্ষ মোটরবাইক পার্টস আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘রিপন অটোস’ ও তাদের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সানরা। উন্নত মানের সাউন্ড সিস্টেম আর আরামদায়ক বসার পরিবেশ পেয়ে প্রতি ম্যাচেই ঢল নামে হাজার হাজার দর্শকের। প্রতিটি ম্যাচের উত্তেজনা আর প্রিয় দলের জয়ে মেতে উঠে নেচে-গেয়ে। প্রতিটি খেলায় সব বয়সী ফুটবল ভক্তদের মিলনমেলা আরএন রোড এলাকা রূপ নেয় উৎসবের নগরীতে। আয়োজকদের এমন দৃষ্টিনন্দন ব্যবস্থাপনায় উচ্ছ্বসিত সাধারণ দর্শক। আর সর্বদা টহল দিয়েছে পুলিশ সদস্যরা। বিশেষ করে যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম নিজে রাত জেগে বড় পর্দার খেলা দেখার স্থান পরিদর্শন করেন। দিয়েছেন উৎসাহ। ঝুমঝুমপুর এলাকার বাসিন্দা ইমরান হোসেন নামে এক দর্শক বলেন, অন্যবারের চেয়ে এবার যশোরে এই ধরণের আয়োজন থাকাতে শহরের ফুটবল প্রেমীরা উৎসাহ উদ্দীপনাতে খেলা দেখেছে।’ স্থানীয় সংবাদকর্মী এনামুল হোসেন বলেন, ‘বড় বড় দলগুলোর খেলার দিন আরএন রোড ক্রীড়া চক্রের মাঠ যেন আমেরিকার ‘মেটলাইফ স্টেডিয়াম’ কিংবা ডালাস স্টেডিয়ামে রুপ নেয়। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আরএন রোডের মাঠটির চারিপাশে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ফ্রান্স, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দলের পতাকা দিয়ে সাজানো হয়। বসার জন্য স্থায়ী গ্যালারির পাশাপাশি চেয়ার বসানো হয়েছিলো। রিপন অটোস প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান এজাজ উদ্দিন টিপু বলেন, ‘আরএন রোড ক্রীড়া চক্র যশোরের ক্রীড়াঅঙ্গন সমৃদ্ধ করতে কাজ করে। নতুন খেলোয়াড় সৃষ্টি না, অনেক সামাজিক কাজেও ভুমিকা রাখে। যশোরের ফুটবল প্রেমীরা প্রথম থেকে উৎসব উদ্দীপনাতে খেলা দেখার আক্ষেপে ছিলো। যশোরবাসীর সেই আক্ষেপের কথা চিন্তা করে রিপন অটোস জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলাদেখার ব্যবস্থা করে। এতে হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড় আর অকৃত্রিম ভালোবাসাই তাদের সার্থকতা। ফুটবল প্রেমীদের এই আনন্দকে ধরে রাখতে এবং স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনকে চাঙ্গা করতে আগামীতেও এ ধরণের বিনোদন ও ক্রীড়াবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। যশোর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার আলাউদ্দিন আল মামুন জানান, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার আনন্দটাই আলাদা। বড় পর্দায় কেলা দেখতে পারলে সবারই ভালো লাগে। আমি নিজেও আরএন রোডে বড় পর্দায় খেলা দেখতে গিয়েছি। আমি নিজে দেখেছি যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম নিজে রাত জেগে আরএন রোডের মাঠে খেলা দেখার মাঠ পরিদর্শন করেছেন। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, আসলেই বড় পর্দাতে একসাথে অনেক লোক খেলা দেখার আনন্দটা অনেক। এটা যশোরবাসীর আক্ষেপও ছিলো বটে। আক্ষেপ ঘুচিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে যশোরের ক্রীড়াঙ্গনে যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে, তা আগামী দিনে জেলাটির ক্রীড়া চর্চাকে আরও বহুদূর এগিয়ে নেবে। এই ধরণের আয়োজনকে সাধুবাদ জানায। তিনি বলেন, সুশৃঙ্খলভাবে এই আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত পুলিশ টহল দিয়েছে। আমি নিজেও বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেছি।’

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)