মিরাজুল কবীর টিটো : সমাধান হচ্ছে না যশোর পৌরসভার জলাবদ্ধতা সমস্যার । ভারি বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যাচ্ছে যশোর শহর। দুর্ভোগে পড়ছে শহরের মানুষ। জলাবদ্ধতার জন্য পৌরসভা, সওজ ও রেলওয়ে একে অপরকে দুষছেন। যশোর পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ শংকরপুরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও রেলওয়ের ছোট দুটি কালভার্টের কারণে বৃষ্টি ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। রোববার কালেক্টরেট সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। তবে পৌরসভার অভিযোগ সত্য নয় বলে জানান সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন কালভার্টের আগে যে ড্রেন দিয়ে পৌরসভার পানি নিষ্কাশন হয় ড্রেন সরু হওয়ায় ও পরিষ্কার না করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। কালভার্টের কারণে জলাবদ্ধতা হচ্ছে না। পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জায়েদ হোসেন জানান, শংকরপুরের ড্রেন দিয়ে ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশন হয়। সেখানে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দুটি কালভার্ট আছে। ভারি বৃষ্টি হলে দুটি কালভার্ট দিয়ে পানি বের হতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি। কারন পানি বের হতে যতটুকু জায়গা দরকার, সে রকম ভাবে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি। এ বিষয়ে দুই কর্র্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে। পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম শরীফ হাসান জানান, ভারি বৃষ্টির পানি বের হতে কালভার্টের নিচে যতটুকু জায়গা দরকার। সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও রেলওয়ের কালভার্ট সেভাবে নির্মাণ করা হয়নি। এ কারনে ভারি বৃষ্টি হলে ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে এক সপ্তাহ আগে রেলওঢের বিভাগীয় কতৃপক্ষ ও যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগে চিঠি দেয়া হয়েছে। পৌরসভার অভিযোগ সত্য নয় বলে জানান, যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাম্মী সুলতানা। তিনি বলেন- আমাদের নির্মাণ করা কালভার্ট ও রেলওয়ের কালভার্ট জলাবদ্ধতার কারণ নয়। সেখানকার যে ড্রেন দিয়ে ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পানি মুক্তেশ্বরী নদীতে যায়। সেই ড্রেন ধারে কেমিক্যাল ফ্যাক্টরীর নির্মাণের কারণে ড্রেন সরু হওয়ায় পানি বের হতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। যশোর রেলওয়ের সহকারী প্রকৌশলী চাদ আহমেদ জানান, শংকরপুরে আমাদের নির্মাণ করা কালভার্ট ১৩ ফিট লম্বা ও ১০ ফিট চওড়া। তাতে পানি আটকানোর কথা না। পৌরসভার ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণেই জলাবদ্ধার সৃষ্টি হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিতে হবে পৌরসভার।