Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

তিন দিনেও উদ্ধার হয়নি কচুয়ায় নিখোঁজ এনজিও কর্মী ডলি দাস

এখন সময়: বুধবার, ২২ জুলাই , ২০২৬, ০২:১৮:৪২ এম

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় কোডেক এনজিওতে কর্মরত নিখোঁজ মাঠ কর্মী ডলি দাসের (৩৫) সন্ধান তিনদিনেও মেলেনি। রোববার দুপুরে গ্রামে লোন আদায় শেষে কচুয়ার ভাড়া বাসায় আসেন। এরপর থেকে নিখোঁজ হন কোডেকের মাঠ কর্মী ডলি দাস। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে পিরোজপুর শহরের মাছিরপুর এলাকা থেকে তার স্বামী পুলক চন্দ্র দাস ওদিন সন্ধ্যায় কচুয়ায় এসে থানায় তার স্ত্রী নিখোঁজের বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ডলি দাসের নিখোঁজের ঘটনায় বাগেরহাটে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত এনজিও কর্মীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলক চন্দ্র দাস জানান, রোববার বিকালে কচুয়া কোডেক অফিসের ম্যানেজার মো. জসিম উদ্দিন তার স্ত্রীর ডলি দাসের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানোনোর পর তিনি কচুয়া আসেন। কচুয়ায় ভাড়া বাসা তালবদ্ধ থাকায় কোডেক অফিসে গিয়ে জানতে পারি গ্রামে লোন আদায় শেষে দুপুরে সে বাসায় এসে আর অফিসে ফিরে যাননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্ত্রীকে না পেয়ে সন্ধ্যায় কচুয়া থানায় জিডি করেছেন। তিনি জানান প্রাণজল দাস পল নামে তাদের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া একটি ছেলে রয়েছে। তিনি আশংকা করছেন কেউ তার স্ত্রীকে অপহরণ করেছেন। তিনি দ্রুত তার স্ত্রীকে উদ্ধারের দাবি জানান। এনজিও কর্মী ডলি দাসের নিখোজের ঘটনার বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্বে) মো. জামিলুর রহমান জানান, এবিষয়ে তার স্বামী পুলক চন্দ্র দাস থানায় জিডি করার পর রোববার সন্ধ্যায় তথ্য প্রযুক্তির সহয়তা নিয়ে ডলি দাসের মোবাইল ট্রাক করে তার অবস্থান ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে দেখতে পাওয়া যায়। মঙ্গলবার বিকেলে মোবাইল ট্র্যাকিং করে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়া গেছে। কোডেক এনজিওর গ্রাহকদের থেকে আদায় করা লোনের টাকা নিয়ে ডলি দাস স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে রয়েছেন, নাকি কোনো প্রেমিকের সাথে চলে গেছেন। এমন কি কেউ তাকে অপহরণ করেছে ? এসব বিষয় সামনে রেখেই পুলিশ তদন্ত করে দেখছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)