Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

বাঘারপাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু, শোকার্ত গ্রাম

এখন সময়: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট , ২০২৬, ১০:৩৯:৪০ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের বাঘারপাড়ায় লুকিয়ে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সহোদর বোনও রয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া ইউনিয়নের জামদিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত তিন শিশু হলো, জামদিয়া দক্ষিণপাড়ার আশিকুর রহমানের মেয়ে ফাহিমা খাতুন (১০), একই গ্রামের নিছার আলী মেয়ে লামিয়া আক্তার (১৩) ও সুলতানা আক্তার (১০)। একসঙ্গে তিন শিশুর মৃত্যুর এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এদিন মাগরিবের নামাজের পর তিন শিশুর পৃথক জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে ওই শিশু খেলা করছিলো। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে নামে ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। গোসলে নামার আগে তারা কেউ বাড়িতে জানায়নি। পুকুরটি বেশ গভীর হওয়ায় একে একে তিনজনই পানিতে তলিয়ে যায়। দুপুরের খাবারের সময় পার হয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তিন শিশুকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুকুরটির সিঁড়ির সামনে শিশুদের জুতা, জামা দেখে পুকুরে তল্লাশি শুরু করলে পুকুরের সিঁড়ির নিচে তাদের ভাসতে দেখা যায়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। তাদের প্রতিবেশী চাচা মাহবুর রহমান জানান, ‘ওই শিশুরাও নিয়মিত পুকুরে গোসল করে না। পুকুরের পাশেই শিশুরা খেলা করছিলো। খেলা শেষে হঠাৎ তারা পুকুরটিতে নামে। ওই পুকুরটিতে লোকজন কম যায়। যারা গোসল করতে যায়, তারা গোসল করে চলে যায়। এই কারণে কারও চোখে পড়েনি।’ স্থানীয় ইউপি সদস্য সরোয়ার হুসাইন বলেন, শিশুরা স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। শিশুর পরিবারগুলো অত্যন্ত দরিদ্র। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তিন শিশুর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুর পরিবারদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এদিকে, একই ঘটনায় দুই বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যুতে জামদিয়া দক্ষিণপাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ। একসাথে একই পাড়ায় এমন মৃত্যু আগে দেখেনি কেউ। বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জালাল আলম জানান, পুকুরটি মৃত শিশু ফাহিমাদের। সেটি এক রকমের পরিত্যক্ত ছিল। শুকনা মৌসুমে পুকুরটি পানি না থাকলেও বর্ষায় সেটি কানায় কানায় ভরে যায়। নিহত তিন শিশুর কেউই সাঁতার জানত না। তারা কাউকে কিছু না জানিয়েই গোসল করতে নেমেছিল। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়ায় দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হবে।’

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)