Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

২০ বছর ধরে জনবল সংকট : যশোর শিক্ষা বোর্ডের নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে ৮ মাস

এখন সময়: রবিবার, ২৩ আগস্ট , ২০২৬, ০৮:৩০:১৫ এম

মিরাজুল কবীর টিটো : দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তীব্র জনবল সংকটের মধ্যে দিয়েই চলছে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের দৈনন্দিন কার্যক্রম। সংকট নিরসনে বিগত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ৭৮টি পদে নতুন জনবল নিয়োগের অনুমোদন দেয়া হলেও গত ৮ মাসেও শুরু হয়নি কোনো নিয়োগ প্রক্রিয়া। এদিকে কর্মচারীদের সিবিএ (কমিউনিটি বেসড অ্যাসোসিয়েশন) নেতাদের বিরুদ্ধে নিজস্ব পোষ্যদের পদে বসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, যশোর শিক্ষা বোর্ডে মোট ২৫৩টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ১৫৭টি পদই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। বর্তমানে মাত্র ৯৭ জন কর্মী নিয়ে চলছে বোর্ডের যাবতীয় কার্যক্রম। ফলে তীব্র জনবল ঘাটতির কারণে একজন কর্মচারীকে একাধিক শাখার দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে, যা ব্যাহত করছে দাপ্তরিক গতিশীলতা। বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ আসমা বেগম জানান, শূন্য পদ পূরণে তিনি উদ্যোগ নিয়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ৭৮টি পদে নিয়োগের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন করিয়ে আনেন। তবে সেই অনুমোদনের পর আট মাস পার হয়ে গেলেও বর্তমান বোর্ড প্রশাসন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে থাকার কারণ জানতে চাইলে বোর্ডের সাবেক সচিব প্রফেসর এস এম মাহাবুবুল ইসলাম জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে তৎকালীন সময়ে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে যারা বোর্ডে দায়িত্বরত আছেন, তাদেরই এই নতুন কর্মচারী নিয়োগের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এদিকে বোর্ডের একটি বিশ্বস্ত সূত্র দাবি করেছে, সিবিএ নেতারা তাদের পছন্দনীয় ব্যক্তি ও পোষ্যদের নিয়োগ দিতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন। তবে সিবিএ নেতৃবৃন্দ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। যশোর বোর্ড শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন। তবে যারা বহু বছর ধরে দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে ফলাফল তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে বোর্ডকে সহযোগিতা করে আসছেন, তাদের যেন বাদ না দেওয়া হয়।’ সার্বিক বিষয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ফারুখে আযম মু. আব্দুস ছালাম জানান, সিবিএ নেতাদের স্বজনপ্রীতি বা পোষ্য ঢোকানোর চেষ্টা সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, “আপাতত ৪৫টি পদে নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে একটি প্রস্তাবনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে সবুজ সংকেত মিললেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।”

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)