জাকির হোসেন, কুয়াদা : যশোরের কুয়াদায় ক্রয়কৃত গরু নিয়ে সালিশে পাওনাদারকে নানা হুমকি, অতঃপর বিষয়টি পুঁজি করে একটি চক্রের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) গরুর মালিক তার পাওনা টাকা নিতে আসলে পরিশোধ না করে স্থানীয় নেতাদের মাধ্যমে মাত্র ৪০ হাজার টাকায় মীমাংসার চেষ্টাসহ বিভিন্ন হুমকি দেয়া হয়। স্থানীয় একটি চক্র এ হুমকি দেয়। এ ঘটনায় কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সুচতুর বাসুদেব চন্দ্র দাস কৌশলে পালিয়ে যান। জানা যায়, ২০ বছর পূর্বে এলাকায় নানা প্রতারণার ঘটনায় বাড়িঘর ছাড়া বাগেরহাটের জনৈক বাসুদেব (বর্তমান) সদর উপজেলার কুয়াদা বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামের জয়গোপাল চক্রবর্তীর বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করেন। গত ১ সেপ্টেম্বর তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি, বিষুপুরের মালিদাহ গ্রামের মেসার্স ভাই বোন এগ্রো ফার্মের মালিক সোহেল রানার নিকট হতে চেকের মাধ্যমে ৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকায় ১১টি ষাড়ের বাচুর ক্রয় করেন। এমনকি তিনি সুপারি ব্যবসাকে পেশা হিসেবে নিলেও নানা সময়ে চাকরিজীবী, সুপারি ব্যবসায়ীসহ সাতক্ষীরা হতে চার লাখ টাকার আদা বাকিতে এনে চেক দেয়াসহ নানাবিধ প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া তিনি যখন যে বাড়িতে ভাড়ায় থাকেন, মানুষের বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টায় নিজের বাড়ি ও নিজে কিনেছেন বলে পরিচয় দিয়ে থাকেন। এমনকি কয়েকমাস যেতে না যেতেই বাসা পরিবর্তনপূর্বক নতুন বাসায় ওঠেন। এদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতারা সালিশ, বিচার ও বিভিন্ন ঘটনা মীমাংসার নামে অর্থ বাণিজ্য মেতে উঠেছে। কিন্তু ভয়ে কারও মুখ খোলার উপায় নেই। ফলে তাদের নানা অপকর্মে সাধারণ মানুষের অনেকই অতিষ্ঠ। সচেতনমহল এহেন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের পরিত্রাণ চাই। এ ঘটনায় গরু বিক্রেতা সোহেল রানা’র মুঠোফোনে জানতে চাইলে, আপাতত সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য জানান। এ বিষয়ে বাসুদেব’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রতারণার নানাবিধ বিষয়ে অস্বীকারসহ এড়িয়ে যান।